বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, “কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বন-এর ভিত্তি হলো কৃষি। দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ কৃষিনির্ভর। অর্থনৈতিক উন্নতি ও অগ্রসরতার জন্য আমাদের শক্তিশালী কৃষি বাণিজ্যিকীকরণ জরুরি। কারণ কৃষির উন্নতি শহর ও গ্রামীণ জনগণের ভাগ্য উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।”
বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি আয়োজিত প্রাক বাজেট বিশ্লেষণ সেমিনারে শুক্রবার (৫ মে) তিনি এ কথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, “কৃষিতে সরকারের বিভিন্ন সহায়তা ও সুফলকে কাজে লাগিয়ে দেশের অনেক শিক্ষিত বেকার আজ স্বাবলম্বী, প্রতিষ্ঠিত ও সফল।”
এসময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বেকারত্ব দূর করতে চাকরির পিছনে না ছুটে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদনে তরুণ প্রজন্মকে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “কৃষিতে ভর্তুকি একটা বিনিয়োগ। যেহেতু রাজস্ব আয় মাধ্যমে আহরিত টাকা ভর্তুকি দেয়া হয়। সেক্ষেত্রে প্রকৃত কৃষক যেন সে ভুর্তকির সুবিধা পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”
কৃষি বাণিজ্যিকীকরণ ও কৃষি পণ্য বহুমুখীকরণে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, “কৃষি শুধু আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে সাহায্য করছে তাই নয়, করোনা ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দায় আমাদের অপেক্ষাকৃত ক্ষতি কম হয়েছে কৃষির জন্যেই।”