অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

মিয়ানমারের সামরিক নেতাদের ওপর আরও কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির আহ্বান বান কি-মুনের

জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব বান কি-মুন ২০২৩ সালের ৩১ মে দক্ষিণ কোরিয়ার সোওলে একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন । ৩১মে, ২০২৩।
জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব বান কি-মুন ২০২৩ সালের ৩১ মে দক্ষিণ কোরিয়ার সোওলে একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন । ৩১মে, ২০২৩।

বুধবার জাতিসংঘের প্রাক্তন মহাসচিব বান কি-মুন বলেছেন, তিনি গত মাসে দেশটিতে আকস্মিক সফরের পর সেনা-চালিত মিয়ানমারের কর্তৃপক্ষের পাশাপাশি সশস্ত্র প্রতিরোধের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করেছেন এবং সহিংসতা বন্ধ করার জন্য ক্ষমতাসীন জেনারেলদের ওপর আরও কূটনৈতিক চাপের আহ্বান জানিয়েছেন।

মিয়ানমারের সামরিক শাসক, সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে তার বৈঠকে বান কি-মুন তাদের দেশটির সহিংস রাজনৈতিক সংকট সমাধানে উদ্যোগী হওয়ার এবং রাজনৈতিক বন্দীদেরকে মুক্তি দেয়ার আহ্বান জানান। তিনি আসিয়ান দ্বারা প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সামরিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া সামরিক ও গণতন্ত্রপন্থী প্রতিরোধ শক্তির মধ্যে সহিংসতা বন্ধ করার জন্য জাতিসংঘের পৃথক একটি প্রস্তাবের কথা জানান। মিয়ানমার আসিয়ানের সদস্য।

মিয়ানমারের সামরিক সরকারের আমন্ত্রণে বান কি-মুন এই সফরে এসেছেন। বৈঠকে সামরিক নেতারা তাকে কী বলেছেন সে সম্পর্কে তিনি নিশ্চুপ ছিলেন। সামরিক সরকার মিয়ানমারের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে বাইরের আহ্বানকে অব্যাহত ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে এবং গণতন্ত্রপন্থী বিরোধীদেরকে সন্ত্রাসবাদী হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

কিছু বিশেষজ্ঞ পূর্ববর্তী শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় অগ্রগতির অভাব উল্লেখ করে বানের উদ্যোগ নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন।

কক্ষপথে একটি সামরিক স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের উত্তর কোরিয়ার ব্যর্থ প্রচেষ্টার কারণে দক্ষিণ কোরিয়া এবং জাপানে নিরাপত্তা বিষয়ক সতর্কতার কয়েক ঘণ্টা পর সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়।

বান এবং দ্য এল্ডার্সের অন্যান্য সদস্যরা- গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন আইরিশ প্রেসিডেন্ট মেরি রবিনসন, মঙ্গোলিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এলবেগডরজ সাখিয়া এবং কলম্বিয়ার প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট হুয়ান ম্যানুয়েল সান্তোস- এই উৎক্ষেপণের সমালোচনা করেছেন। সান্তোস এটিকে একটি “অপ্রয়োজনীয় উস্কানি” হিসেবে অভিহিত করেন।

This item is part of
XS
SM
MD
LG