অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চট্টগ্রামে দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় বাবুল আক্তারের জামিন


সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। (ফাইল ছবি)
সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তার। (ফাইল ছবি)

বাংলাদেশের চট্টগ্রামে দায়ের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায়, সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। আর, একই আইনের অধীনে ঢাকায় করা এক মামলায় জামিন আবেদনের আদেশ দুই মাসের জন্য মুলতবি (স্ট্যান্ড ওভার) রেখেছেন। স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলায় ২০২১ সালের মে মাসে গ্রেপ্তার হন বাবুল। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ রবিবার (৪ জুন) এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সারোয়ার হোসেন বাপ্পি।

এর আগে, চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের মামলায় বাবুল আক্তারের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেছিলেন বিচারিক আদালত। পাশাপাশি ঢাকায় করা মামলায়ও জামিন না মঞ্জুর করা হয়। পরে তিনি হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন।

পিবিআই-এর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ সুপার নাইমা সুলতানা গত বছরের ১৯ অক্টোবর চট্টগ্রামের খুলশী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন। মামলায় বাবুল আক্তার ছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রে থাকা সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন, বাবুলের ভাই হাবিবুর রহমান ও বাবা ওয়াদুদ মিয়াকে অভিযুক্ত করা হয়।

মামলায় বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলা নিয়ে মিথ্যা-অসত্য তথ্য সরবরাহ প্রচারের অভিযোগ আনা হয়। একই অভিযোগে, চট্টগ্রামের মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তিদের নামে গত ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার ধানমন্ডি থানায় মামলা করেন পিবিআইপ্রধান বনজ কুমার মজুমদার।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, মাহমুদা হত্যা মামলা নিয়ে অভিযুক্তরা ফেসবুক-ইউটিউবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন। এতে পিবিআই ও সংস্থাপ্রধানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। বাবুল, হাবিবুর ও ওয়াদুদের যোগসাজশে বিদেশে থাকা ইলিয়াস মিথ্যা তথ্য প্রচার করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে গিয়ে, গুলি ও ছুরিকাঘাতে নিহত হন বাবুলের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। এ মামলায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর বাবুলসহ সাত জনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পিবিআই। চলতি বছরের ১৩ মার্চ বাবুল আক্তারসহ সাত জনের নামে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. জসিম উদ্দিনের আদালত।

XS
SM
MD
LG