অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

প্রথম ইউনিট বন্ধ, বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট


প্রথম ইউনিট বন্ধ, বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট
প্রথম ইউনিট বন্ধ, বাণিজ্যিক উৎপাদনে যাচ্ছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট

বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট বন্ধের মধ্যেই, দ্বিতীয় ইউনিট থেকে নিয়মিত বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে পরীক্ষামূলক সরবরাহ করা হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে নিয়মিত ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (৪ জুলাই) দুপুরে বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রা.) লিমিটেডের (বিআইএফপিসিএল) উপ-মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। তবে বন্ধ থাকা প্রথম ইউনিট কবে চালু হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যুৎ কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, ১৩২০ মেগাওয়াট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্টের ৬৬০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষম প্রথম ইউনিট চালু হয় ২০২২ সালের ডিসেম্বরে। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে,১৫ এপ্রিল রাত থেকে কেন্দ্রটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। এর আগে, ১৪ জানুয়ারি কয়লা সংকটে বন্ধ হয়েছিলো তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি।

ইতোমধ্যে ৬৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দ্বিতীয় ইউনিটের সকল কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। গত ২৮ জুন সকাল ৮টা ৫১ মিনিটে দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট জাতীয় গ্রিডে সফলভাবে যুক্ত হয়েছে। আগস্ট মাস থেকে এই ইউনিট থেকে ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়মিত জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ

বিআইএফপিসিএল-এর প্রকল্প পরিচালক অতনু দত্ত বলেন, “কৌশলগত পরিকল্পনা এবং প্রকল্পে কর্মরত সদস্যদের কঠোর পরিশ্রমের ফলে রেকর্ড সময়ের মধ্যে আমরা দ্বিতীয় ইউনিট চালু করতে সক্ষম হয়েছি। এখন দ্বিতীয় ইউনিটের বাণিজ্যিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে জনগণ এই ইউনিটের বিদ্যুৎ পাবেন।”

বিআইএফপিসিএল‘র ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাঈদ আকরাম উল্লাহ বলেন, “মৈত্রী প্রকল্প বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্ব ও দৃঢ় বন্ধনের প্রতীক। দেশ-বিদেশের কর্মরত সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং বিশেষজ্ঞদের প্রচেষ্টায় আমরা দ্বিতীয় ইউনিটের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি।”

XS
SM
MD
LG