অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোনকে সিরিয়ার আকাশে ২৪ ঘন্টায় দ্বিতীয় বার হয়রানি করেছে রুশ বিমান


যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর প্রকাশিত ভিডিও থেকে নেয়া এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে সিরিয়ার আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের খুব কাছ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে রুশ এসইউ-৩৫ জঙ্গিবিমান; ৫ জুলাই ২০২৩।
যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর প্রকাশিত ভিডিও থেকে নেয়া এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে সিরিয়ার আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের খুব কাছ দিয়ে উড়ে যাচ্ছে রুশ এসইউ-৩৫ জঙ্গিবিমান; ৫ জুলাই ২০২৩।

বিমান বাহিনী বলেছে, বৃহস্পতিবার আবার সিরিয়ার আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি ড্রোনের বিপদজনভাবে কাছাকাছি দূরত্ব দিয়ে উড়ে গেছে কয়েকটি রুশ জঙ্গি বিমান। এ সময় রুশ জঙ্গি বিমানগুলো আগুনের শিখা ছড়িয়ে দেয় এবং এমকিউ-৯ ডোনগুলোকে এড়িয়ে যাওয়ার কৌশল নিতে বাধ্য করে।

এই ঘটনার মধ্য দিয়ে রাশিয়া সেখানে ২৪ ঘন্টায় দ্বিতীয়বার যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোনগুলোকে হয়রানি করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বিমান বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড প্রধান, লিউটেনান্ট জেনারেল অ্যালেক্স গ্রিনকেভিচ এক বিবৃতিতে বলেন,”সিরিয়ায় রুশ বাহিনীকে আমরা এমন বেপরোয়া আচরণ বন্ধ করতে অনুরোধ করছি। পেশাদার বিমান বাহিনীর কাছে প্রত্যাশিত আদর্শ আচরণ মেনে চলতে অনুরোধ করছি; যাতে আইএসআইএসকে পরাস্ত করতে আমরা আবার মনোনিবেশ করতে পারি।”

যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় বিমান বাহিনী বুধবার ও বৃহস্পতিবারের দুটি পৃথক ঘটনার ভিডিও প্রকাশ করেছে। প্রথম ঘটনাটি ঘটে বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৪০ নাগাদ, উত্তর-পশ্চিম সিরিয়াতে। এতে দেখা যায় রুশ এসইউ-৩৫ জঙ্গি বিমানগুলো একটি রিপার ড্রোনের খুব কাছে চলে আসে এবং একজন রুশ বিমানচালক তার বিমানকে ড্রোনের সামনে নিয়ে আসেন। তিনি এসইউ-৩৫-এর আফটার বার্নার (শিখা উদগীরক) প্রয়োগ করেন; ফলে ব্যাপকভাবে বিমানের গতি বেড়ে যায় ও বায়ুর চাপ বৃদ্ধি পায়।

অ্যালেক্স গ্রিনকেভিচ বলেন, আফটার বার্নার ব্যবহারের কারণে যে বিস্ফোরণ ঘটে, এতে রিপারের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতির ক্ষতি হতে পারতো। আর এর ফলে, আকাশযানের নিরাপদ পরিচালনার জন্য ড্রোন অপারেটরের ক্ষমতা হ্রাস করে। পরে কথিত প্যারাশুট থেকে আগুনের শিখা ড্রোনের পথে চলে আসে ।

দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ, উত্তর-পশ্চিম সিরিয়াতেই। গ্রিনকেভিচ বলেন,”ড্রোনের সামনে রুশ বিমান অগ্নিশিখা ছড়িয়ে দেয় এবং বিপদজনক দূরত্ব দিয়ে উড়ে যায়।এতে, সেখানে বিদ্যমান সব আকাশযানের নিরাপত্তাকে বিপদগ্রস্ত করে তোলে।

এই সব ড্রোনে কোনো অস্ত্র ছিলো না। এগুলি সাধারণত সামরিক পর্যবেক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয়।

XS
SM
MD
LG