অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

উত্তর কোরিয়া দ্বিতীয় হোয়াসং-১৮ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা নিশ্চিত করেছে

২০২৩ সালের ১৩ জুলাই উত্তর কোরিয়ার সরকার প্রদত্ত এই ছবিটিতে ২০২৩ সালের ১২ জুলাই উত্তর কোরিয়ায় একটি হোয়াসং-১৮ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করা হচ্ছে।
২০২৩ সালের ১৩ জুলাই উত্তর কোরিয়ার সরকার প্রদত্ত এই ছবিটিতে ২০২৩ সালের ১২ জুলাই উত্তর কোরিয়ায় একটি হোয়াসং-১৮ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা করা হচ্ছে।

উত্তর কোরিয়া নিশ্চিত করেছে যে তার সর্বসাম্প্রতিক নিক্ষেপ করা অস্ত্রটি নতুন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হোয়াসং ১৮-র দ্বিতীয় পরীক্ষা। দেশটি বলেছে এটি ওয়াশিংটনকে কোরীয় উপদ্বীপে তাদের সামরিক উপস্থিতির বিপদ এবং বেপরোয়া আচরণের “জবাব দেবে।”

উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সকালের উৎক্ষেপণে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম কেসিএনএ জানিয়েছে, তিনি “একটি শক্তিশালী সামরিক আক্রমণ সিরিজের পূর্বাভাস দিয়েছিলেন... যতক্ষণ না যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী এবং দক্ষিণ কোরিয়ার পাপেট বিশ্বাসঘাতকেরা [পিয়ংইয়ং-এর বিরুদ্ধে] তাদের অকেজো সহিংস নীতির পরাজয় স্বীকার না করে।”

কেসিএনএ বলেছে, “পরমাণু যুদ্ধের বিভিন্ন হুমকি” প্রতিরোধ করতে এবং অপ্রতিরোধ্যভাবে প্রতিক্রিয়া জানাতে এবং নির্ভরযোগ্যভাবে এর নিরাপত্তা রক্ষা করতে হোয়াসং-১৮ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উত্তর কোরিয়ার একটি রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক বাহিনী গড়ে তোলার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ।

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বৃহস্পতিবার নিয়মিত ব্রিফিং-এর সময় আরও বিশদ তথ্য সরবরাহ না করে শুধু জানায় যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সাথে গোয়েন্দা তথ্যের বিশ্লেষণ অব্যাহত রয়েছে।

সিউলের বিশ্লেষকরা বলছেন, বুধবারের উৎক্ষেপণে দেখা যাচ্ছে, এপ্রিলে প্রাথমিক পরীক্ষার পর থেকে এটির অগ্রগতি হয়েছে। সে সময় হোয়াসং-১৮ মাত্র ৩ হাজার কিলোমিটারের কম উচ্চতায় পৌঁছেছিল।

যদিও আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন রয়েছে, তবে হোয়াসং-১৮ এই মাসের শেষের দিকে কোরীয় যুদ্ধ বিরতির ৭০তম বার্ষিকী উপলক্ষে একটি সামরিক কুচকাওয়াজে বিশেষভাবে প্রদর্শিত হতে পারে। উত্তর কোরিয়া দাবি করে থাকে, ওই যুদ্ধে তারা জিতেছে। এটি কিম জং উনের শাসনের জন্য একটি বিরল কিন্তু অর্থবহ সামরিক প্রদর্শন হতে পারে। তারা ফেব্রুয়ারিতে শুধুমাত্র নতুন আইসিবিএম-এর একটি মডেল প্রদর্শন করেছিল।

This item is part of
XS
SM
MD
LG