অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

শিয়া দরগায় হামলার দায়ে তাজিক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ইরান


ইরানের ফারস প্রদেশের রাজধানী সিরাজ-এ শাহ চেরাগের সমাধিতে গোলাগুলির পর আহতদের নিয়ে যাচ্ছেন জরুরি পরিষেবা কর্মীরা (ফাইল ফটো) ১৩ আগস্ট ২০২৩।
ইরানের ফারস প্রদেশের রাজধানী সিরাজ-এ শাহ চেরাগের সমাধিতে গোলাগুলির পর আহতদের নিয়ে যাচ্ছেন জরুরি পরিষেবা কর্মীরা (ফাইল ফটো) ১৩ আগস্ট ২০২৩।

আগস্টে একটি শিয়া মুসলিম দরগায় প্রাণঘাতী বন্দুক হামলা চালানোর জন্য দোষী সাব্যস্ত একজন তাজিক ব্যক্তিকে ইরানের একটি আদালত মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। দেশটির বিচার বিভাগ বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছে।

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের ফারস প্রদেশের রাজধানী সিরাজে অবস্তিত শাহ চেরাঘ-এর মাজারে এক বছরের কম সময় আগে, একই ধরণের নির্বিচার গোলাগুলির ঘটনার পর, এখানে আবার আগস্টে এই হামলা চলানো হয়।পরে ইসলামিক স্টেট হামলার দায় স্বীকার করে।

১৩ আগস্টের হামলার পর, নয় সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের সকলেই বিদেশী। ঐ হামলায় দুজন নিহত হয়; আহত হয় আরো সাতজন।

বিচার বিভাগের অনলাইন ওয়েবসাইট মিজান জানিয়েছে, দোষী সাব্যস্ত হামলাকারী তাজিকিস্তানের রহমাতুল্লাহ নওরোজফ বলে শনাক্ত করা হয়েছে। তাকে একজন আইএস সদস্য হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের দুটি রায় দেয়া হয়েছে।

“দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিপ্রায়ে সমাবেশে অংশ নেয়া এবং ষড়যন্ত্র করার অভিযোগে” অন্য দুই ব্যক্তিকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড এবং দেশ থেকে নির্বাসনের শাস্তি দেয়া হয়েছে।

এর আগে, ২০২২ সালের অক্টোবরে মাজারে একটি নির্বিচার গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ঐ ঘটনায় ১৩ জন নিহত হয়; আহত হয় ৩০ জন। পরে আইএস ওই হামলার দায় স্বীকার করে।

সে সময় মিজান জানিয়েছিলো, “দুনিয়াতে দুর্নীতি, সশস্ত্র বিদ্রোহ এবং জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে কাজ করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর, এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকার দায়ে ইরান গত ৮ জুলাই জনসমক্ষে দুই ব্যক্তির ফাঁসি কার্যকর করেছে।”

লন্ডন-ভিত্তিক অধিকার গোষ্ঠী অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলেছে, ইরান, চীন ছাড়া অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বেশি মানুষকে মৃত্যুদণ্ড দিচ্ছে। আর, গত বছর ইরান কমপক্ষে ৫৮২ জনকে ফাঁসি দিয়েছে।এটি, ২০১৫ সালের পর সর্বোচ্চ ফাঁসির সংখ্যা।

XS
SM
MD
LG