অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইরানে বিক্ষোভকারীদের চোখকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছে, দাবি করল মানবাধিকার সংস্থা

ফা্তইল-হরানে ইরানিদের বিক্ষোভ(২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২)। ২০২৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ইরান হিউম্যান রাইটস কর্তৃক প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি চালানোর সময় তাদের চোখ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
ফা্তইল-হরানে ইরানিদের বিক্ষোভ(২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২)। ২০২৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ইরান হিউম্যান রাইটস কর্তৃক প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ বিক্ষোভকারীদের দিকে গুলি চালানোর সময় তাদের চোখ লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

ইরান হিউম্যান রাইটস শুক্রবার ২০২২ সালের বিক্ষোভের সময় চোখের আঘাতের পরিসংখ্যানগত বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে। বিক্ষোভ-সম্পর্কিত হতাহতের তালিকার সাথে আহতদের মিলিয়ে দেখে , সংগঠনটি এই উপসংহারে পৌঁছায় যে, "অত্যন্ত নিয়মতান্ত্রিক এবং ইচ্ছাকৃতভাবেই দমনকারী শক্তিগুলো নারীদের মুখ এবং চোখের উপর গুলি চালিয়েছে।”

সংস্থাটি বলেছে, ইরানে নিহতদের মধ্যে প্রায় ৯ শতাংশ নারী। যদিও চোখের আঘাত প্রাপ্ত ২৮ শতাংশ নারী। পশ্চিম আজারবাইজান প্রদেশের মাহাবাদের মতো কিছু এলাকায় নিহত বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ১৫ শতাংশই নারী অথচ ৫৬ শতাংশই চোখে আঘাতপ্রাপ্ত হলেন ।

ইরান হিউম্যান রাইটসের পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোগাদ্দাম প্রতিবেদনে লিখেছেন, "সংস্থাটির বিশ্লেষণে দেখা যায়, বিক্ষোভের সময় সংঘটিত নৃশংস অপরাধগুলি সমন্বিত এবং পরিকল্পিত। এই কারণে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নেতা আলী খামেনি এবং এ ধরনের অপরাধের সঙ্গে জড়িত সবাইকে অবশ্যই জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।”

২০২২ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস ইরানে দেশব্যাপী বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে সেখানে চোখের আঘাতের সংখ্যা সম্পর্কে রিপোর্ট করেছিল। তেহরানের তিনটি বড় হাসপাতালের চক্ষু বিশেষজ্ঞরা - ফারাবি, রসুল আকরাম এবং লাব্বাফিনেজাদের ধারণা মতে, সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে তিনটি হাসপাতালে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত ৫০০ জনেরও বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন।

This item is part of
XS
SM
MD
LG