অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশের জ্বালানি বিভাগের সঙ্গে বৈঠক করেছে আইএমএফ প্রতিনিধি দল


ওয়াশিংটনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, আইএমএফ ভবনের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক নারী। (ফাইল ছবি)।
ওয়াশিংটনে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল, আইএমএফ ভবনের সামনে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক নারী। (ফাইল ছবি)।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি দল রবিবার (৮ অক্টোবর) বাংলাদেশের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। আইএমএফ দলের সঙ্গে বৈঠকে, জ্বালানি সচিব নুরুল আলম বাংলাদেশের পক্ষে নেতৃত্ব দেন। বৈঠকে, পেট্রোলিয়াম জ্বালানির স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয়ের বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।

বাংলাদেশের মিশন প্রধান রাহুল আনন্দের নেতৃত্বে আইএমএফের একটি দল বাংলাদেশকে সাড়ে ৪০০ কোটি ডলার ঋণের শর্তাবলি নিয়ে আলোচনা করতে ৪ অক্টোবর ঢাকায় এসেছে। দলটির বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তাদের অধীনস্থ সংস্থার সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠকের পর, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা করবে।

প্রতিনিধি দলের, ১৯ অক্টোবর বাংলাদেশ ত্যাগ করার কথা রয়েছে। ঋণের প্রথম কিস্তি ইতোমধ্যে ছাড় করেছে সংস্থাটি। চলতি বছরের নভেম্বরে ঋণের দ্বিতীয় কিস্তি ছাড় পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সরকারি সূত্র জানায়, আইএমএফ দল জ্বালানি খাতে ভর্তুকি, বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় সাপেক্ষে পেট্রোলিয়াম জ্বালানির স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ এবং আমদানি করা এলএনজি সহ এই খাতের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেছে।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশকে ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় আইএমএফ বেশ কয়েকটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, বৈশ্বিক বাজার মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রেখে পেট্রোলিয়াম জ্বালানির স্বয়ংক্রিয় মূল্য সমন্বয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ; যাতে সরকারের ক্ষতি না হয়।

কিন্তু, এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা আইএমএফকে জানিয়েছেন, তারা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছেন।

XS
SM
MD
LG