অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পশ্চিমে আশ্রয়ের জন্য অপেক্ষারত আফগানদের থেকে এক্সিট ফি নিতে বদ্ধপরিকর পাকিস্তান


পাকিস্তানের করাচির উপকণ্ঠে আফগান শিবিরে নথিবিহীন আফগান নাগরিকদের খোঁজে বাড়ি-বাড়ি তল্লাশির সময় ন্যাশনাল ডেটাবেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অথরিটির এক কর্মী ও এক পুলিশ কর্মকর্তা জনৈক আফগান নাগরিকের পরিচয়পত্র যাচাই করছেন। ২১ নভেম্বর, ২০২৩।
পাকিস্তানের করাচির উপকণ্ঠে আফগান শিবিরে নথিবিহীন আফগান নাগরিকদের খোঁজে বাড়ি-বাড়ি তল্লাশির সময় ন্যাশনাল ডেটাবেস অ্যান্ড রেজিস্ট্রেশন অথরিটির এক কর্মী ও এক পুলিশ কর্মকর্তা জনৈক আফগান নাগরিকের পরিচয়পত্র যাচাই করছেন। ২১ নভেম্বর, ২০২৩।

পাকিস্তানের কর্মকর্তারা এই দেশ ছেড়ে চলে যাওয়া বা পশ্চিমা-স্পন্সরকৃত পুনর্বাসনের জন্য অপেক্ষারত আফগান নাগরিকদের উপর মূল্য ধার্য করাকে সমর্থন করেছেন। তারা বলছেন যে তাদের স্থানীয় অভিবাসী আইনের সঙ্গে এই সিদ্ধান্ত সামঞ্জস্যপূর্ণ।

তাদের তালিকায় রয়েছে হাজার হাজার মানুষ যারা আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন নেটো সামরিক অভিযানে কাজ করেছিল এবং ২০২১ সালের আগস্টে তৎকালীন বিদ্রোহী তালিবান ক্ষমতা দখল করার পর প্রতিশোধের ভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল।

পাকিস্তানের এক অভিবাসন কর্মকর্তা শুক্রবার সুনিশ্চিত করেছেন যে, তৃতীয় কোনও দেশে আশ্রয়ের জন্য অপেক্ষারত প্রত্যেক আফগানকে ৮০০ ডলারের বেশি দিতে হবে; ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও থাকা বা বৈধভাবে বাস করার জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র না থাকার কারণে এই জরিমানা।

এই বিষয়ে প্রকাশ্যে আলোচনা করার অনুমোদন না থাকায় সেই কর্মকর্তা পরিচয় গোপন করে ভিওএ-কে বলেন, “সরকার তাদের বড় উপকার করছে। নাহলে, এই পরিমাণ অর্থ জরিমানা হিসেবে তাদের প্রতি সপ্তাহে দিতে হতো।”

যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এক বিশেষ অভিবাসন কর্মসূচির অধীনে প্রায় ২৫ হাজার আফগান যুক্তরাষ্ট্রে পুনর্বাসন পাওয়ার যোগ্য হতে পারে। ব্রিটেন ঘোষণা করেছে, বছরগুলিতে আফগানিস্তানের ২০ হাজারের বেশি মানুষকে তারা পুনর্বাসন দেবে।

পুনর্বাসন পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে আসা ইসলামাবাদে পশ্চিমা দূতাবাসগুলি এই প্রস্থান-মূল্য চাপানোকে নিন্দা করেছে এবং একে নজিরবিহীন পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছে। পাশাপাশি, জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টি পাকিস্তানের কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছে তারা।

XS
SM
MD
LG