অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইসরাইল এবং হামাস একদিনের জন্য যুদ্ধবিরতি বাড়াতে রাজি

হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ষষ্ঠ দিনে ফিলিস্তিনিরা গাজা শহরের বিধ্বস্ত ভবনগুলোর পাশ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে। ২৯ নভেম্বর, ২০২৩।
হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির ষষ্ঠ দিনে ফিলিস্তিনিরা গাজা শহরের বিধ্বস্ত ভবনগুলোর পাশ দিয়ে সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছে। ২৯ নভেম্বর, ২০২৩।

ইসরাইল এবং হামাস বলেছে, তারা তাদের যুদ্ধবিরতি আরও একদিন বাড়াতে সম্মত।

বিরতির সময়সীমা বৃদ্ধির জন্য হামাস জিম্মিদের মুক্তির যে প্রাথমিক তালিকা দিয়েছিল ইসরাইল তা নিয়ে অসন্তুষ্ট বলে জানা গেছে।

হামাস বলেছে, তাদের কাছে জিম্মি থাকা সাতজন নারী ও শিশু এবং অন্য তিনজন জিম্মির লাশ ফেরত নেয়ার প্রস্তাব ইসরাইল প্রত্যাখ্যান করেছে। হামাস বলেছে, ওই তিনজন ইসরাইলি বোমা হামলায় নিহত হয়েছে। হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, শুধুমাত্র এই দশজনই তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকা নারী ও শিশু জিম্মি।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন তেল আবিবে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগের সাথে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকের শুরুতে ব্লিংকেন হারজোগকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বাস করে যুদ্ধবিরতি ইতিবাচক ফলাফল নিয়ে এসেছে এবং এটি চালিয়ে যাওয়া উচিত।

যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৭ সালে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে। ইসরাইল, মিশর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানও হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে।

তার বিবৃতিতে হারজোগ উল্লেখ করেছেন, বৃহস্পতিবার সকালে জেরুজালেমে দুজন কথিত ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর হামলায় কমপক্ষে তিনজন নিহত এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এটি “অন্তহীন যুদ্ধের” উদাহরণ যেখানে ইসরাইল “খুব জটিল এবং চ্যালেঞ্জিং সময়ে বিশেষ করে হামাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।”

হামাস জঙ্গিরা যুদ্ধরত পক্ষগুলোর মধ্যে যুদ্ধবিরতির ষষ্ঠদিন বুধবারে ষোলোজন জিম্মিকে মুক্ত করেছে। অন্যদিকে মধ্যস্থতাকারীরা ইসরাইলের কারাগারে বন্দি ফিলিস্তিনিদের বিনিময়ে লড়াইয়ে বিরতির সময়সীমা বৃদ্ধি এবং আরও বেশি জিম্মিকে মুক্ত করার জন্য কাজ করেছে।

একজন ইসরাইলি কর্মকর্তা দ্য ওয়াশিংটন পোস্টকে বলেছেন, যুদ্ধবিরতি দুই বা তিনদিন বাড়ানো যেতে পারে, তবে যুদ্ধে আরও বিরতি "স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দিকে পরিচালিত হবে না।"

গাজা ভূখণ্ডে ইসরাইলে বোমাবর্ষণের ফলে, জাতিসংঘের অনুমান গাজার ২৩ লাখ মানুষের মধ্যে ১৮ লাখ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে, যাদের অনেকেই জনাকীর্ণ আশ্রয়ে রয়েছেন। জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন একটি সহায়তা সংস্থা শেল্টার নেটওয়ার্ক গত শুক্রবার এক প্রতিবেদনে বলেছে, গাজার ৬০ শতাংশের বেশি আবাসন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

ভয়েস অফ আমেরিকার ব্যুরো প্রধান নাইকি চিং এই প্রতিবেদন তৈরিতে সহায়তা করেছেন। এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি, এএফপি এবং রয়টার্স থেকে নেয়া হয়েছে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG