অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ওবায়দুল কাদের: নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালনে আপত্তি নেই


বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকা দেশব্যাপী ৩৬ ঘন্টার সড়ক-রেল-নৌপথ অবরোধ।
বিএনপি ও সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর ডাকা দেশব্যাপী ৩৬ ঘন্টার সড়ক-রেল-নৌপথ অবরোধ।

বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালনে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি আরো জানান, জোটের শরিকদের আপত্তি ও দলীয় প্রার্থীদের অস্বস্তি সত্ত্বেও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই।
মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) রাজধানী ঢাকার ধানমন্ডিতে, আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, “প্রতিযোগিতার কোনো বিকল্প নেই এবং বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচনের কোনো সুযোগ নেই।”

বিএনপি দেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন,“তাই গণতন্ত্র সংকটে পড়েছে দেশ।”

সহিংসতা, ষড়যন্ত্র ও সন্ত্রাসের মাধ্যমে ৭ জানুয়ারির জাতীয় নির্বাচন কেউ বানচাল করার চেষ্টা করলে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, “কিছু লোক ও বিএনপির মতো কিছু দল বিদেশিদের কাছে দেশের বদনাম করে। তাদের অবরোধ মানে, বাসে আগুন দেয়া এবং গুপ্ত হামলা করা।”

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জানান যে সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালনে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই।

তবে, আওয়ামী লীগ সব ইস্যুতে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার পক্ষে নয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সেনা সদস্যদের মোতায়েনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সোমবার (১১ ডিসেম্বর) বৈঠক করেছে বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন।

পরে, এ বিষয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের পিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

তিনি জানান, নির্বাচনের আগে ও পরে ১৩ দিন সেনাবাহিনী চায় নির্বাচন কমিশন। বৈঠকে এ বিষয়ে প্রাথমিক আলাচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানান, “নির্বাচন কমিশন চায়, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন হোক। আর, সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে কমিশন এটা চায়।”

তিনি আরো জানান, কমিশন রাষ্ট্রপতির কাছে এ বিষয়ে সুপারিশ করবে। রাষ্ট্রপতি যদি ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেন তবে অবশ্যই সেনা মোতায়েন হবে।

নির্বাচন কমিশন যে ভাবে সহায়তা চাইবে, সেই মতে সহায়তা করা হবে বলে জানান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

XS
SM
MD
LG