অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ই.ইউ’র দুঃখপ্রকাশ


বাংলাদেশের দ্বাদশ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন একজন নারী
বাংলাদেশের দ্বাদশ নির্বাচনে ভোট দিচ্ছেন একজন নারী

বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনে বিরোধীদের প্রতিনিধিত্ব না থাকায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন অস্বস্তি প্রকাশ করেছে এবং ভোটদানে অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে দেখতে বলেছে। বাংলাদেশে বিরোধীদল এই নির্বাচন বর্জন করে।

ই.ইউ ’র পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রধান জোসেপ বরেল এক বিবৃতিতে বলেন, “ ই.ইউ দুঃখিত যে এই নির্বাচনে বড় বড় কোন দল অংশ গ্রহণ করেনি। এই বিবৃতিতে, “ নির্বাচনের পরিণতির দিকে মনোযোগ দেয়া হয়।”

বিরোধীদলের নির্বাচন বর্জন এবং গণ গ্রেপ্তারের কারণে , দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশটিতে নির্বাচন ব্যাহত হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ক্ষমতাসীন দলটি সংসদে তিন চতুর্থাংশ আসন পাওয়ায় তিনি পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন।

বরেল বলেন যে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিভিন্ন অগ্রাধিকারের বিষয়গুলিতে শেখ হাসিনার সরকারের সঙ্গে ”কাজ করে যাবে ।” তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, “দীর্ঘকালীন ইইউ-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের শক্তিটা নির্ভর করছে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, মানবাধিকার ও আইনের শাসনের উপর।”

সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতরও এ ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করে যে সকল দলের প্রতিনিধিত্ব ছিল না এবং বলে , “ এই নির্বাচন অবাধ ও নিরপেক্ষ ছিল না।”

হাসিনার দলের বিজয়ে চীন অভিনন্দন জানায়।

বরেল ইউ’র নির্বাচনী বিশেষজ্ঞদের একটি প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে বলেন যে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ সব কিছু প্রকাশ্যে তুলে ধরতে রাজি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, “নির্বাচনে যে অনিয়মের অভিযোগ করা হয়েছে সে বিষয়ে যথাসময়ে এবং পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি এই আহ্বান জানাচ্ছি ।

তিনি বলেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন , “ নির্বাচনের সময়ে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে তার নিন্দা জানাচ্ছে এবং নির্বাচনোত্তর সময়ে সহিংসতা পরিহার করার আহ্বান জানাচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “ বিরোধী ব্যক্তিদের আটক রাখা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়” এবং বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক শক্তিকে , “ রাজনৈতিক বহুপাক্ষিকতা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও মানবাধিকারের আন্তর্জাতিক মানের” প্রতি সম্মান প্রদর্শনকে উৎসাহিত করেন।



XS
SM
MD
LG