অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

গাজার মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে ইসরাইলের বিমান ও স্থল হামলা

ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট কর্মীরা গাজার মধ্যাঞ্চলের দির এল-বালাহতে একটি বিধ্বস্ত অ্যাম্বুলেন্স পরীক্ষা করছে। ১১ জানুয়ারি, ২০২৪।
ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট কর্মীরা গাজার মধ্যাঞ্চলের দির এল-বালাহতে একটি বিধ্বস্ত অ্যাম্বুলেন্স পরীক্ষা করছে। ১১ জানুয়ারি, ২০২৪।

বৃহস্পতিবার ইসরাইলের সেনাবাহিনী গাজার মধ্য ও দক্ষিণাঞ্চলে বিমান ও স্থল হামলা চালিয়েছে। হামাস পরিচালিত গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, রাতভর ইসরাইলের ওই হামলায় কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৬০ জনের বেশি নিহত মানুষের মধ্যে খান ইউনিসে ইসরাইলের চালানো বিমান হামলায় নিহত ব্যক্তিও রয়েছে। খান ইউনিস গাজা ভূখণ্ডের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর।

ইসরাইলের সেনাবাহিনী খান ইউনিসের একটি ভূগর্ভস্থ টানেলে সাংবাদিকদের সফরে নেতৃত্ব দিয়েছিল। সেনাবাহিনী বলেছে, সেখানে যে জিম্মিদের রাখা হয়েছিল তার প্রমাণ রয়েছে।

ইসরাইল জিম্মিদের কাউকে শনাক্ত করেনি বা তাদের সাথে কী হয়েছে সে সম্পর্কিত কোনো তথ্য দেয়নি। ইসরাইল বলেছে, তারা যে প্রমাণগুলো আবিষ্কার করেছে তাতে ডিএনএ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

৭ অক্টোবর ইসরাইলে হামাসের হামলায় প্রায় ১২০০ জন নিহত হয়েছে এবং ২৪০ জনকে হামাস জিম্মি করে। জিম্মিদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক মুক্তি পেয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্র ১৯৯৭ সালে হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে। ইসরাইল, মিশর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং জাপানও হামাসকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে বিবেচনা করে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরাইলের পাল্টা আক্রমণে ২৩ হাজার ৩০০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। হামলায় গাজার বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং এর ২৩ লাখ জনসংখ্যার ৮৫ শতাংশ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।

বুধবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইসাস বলেছেন, ত্রাণ সংস্থাগুলো গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেয়ার ক্ষেত্রে “প্রায় অনতিক্রম্য চ্যালেঞ্জ” মোকাবিলা করছে।

টেড্রোস বলেছেন, “আমাদের কাছে সরবরাহ, দল এবং পরিকল্পনা রয়েছে। আমাদের কাছে যা নেই তা হলো প্রবেশের সুযোগ।” তিনি সহায়তা বিতরণের জন্য অনুরোধগুলো সহজতর করার জন্য ইসরাইলের সাহায্য আহ্বান জানিয়েছেন।

এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি, এএফপি এবং রয়টার্স থেকে নেয়া হয়েছে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG