অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বৃহস্পতিবারের মধ্যে কাজে যোগ না দিলে পুলিশের চাকরি থাকবে না: উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

২১:০৮ ২.৮.২০২৪

খুলনায় শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষকালে গুলিবিদ্ধ ৭, চারজনের অবস্থা সংকটাপন্ন

খুলনায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালনকালে, পুলিশের সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এই সময় সাত জন গুলিবিদ্ধ (রাবার বুলেট ও শটগানের ছররা) হয়েছেন। এদের মধ্যে চার জনের অবস্থা সংকটাপন্ন।

শুক্রবার(২ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত জিরো পয়েন্ট ও গল্লামারী মোড় এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে টিয়ারশেল, রাবার বুলেট ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এসময় শিক্ষার্থীরাও পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এসময় পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়া হয়।

গুলিবিদ্ধ (রাবার বুলেট ও শটগানের ছররা) অবস্থায় সাত জনসহ ১১ জনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের পুলিশ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত পুলিশের গাড়ি চালকের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে, সংঘর্ষের পর সিরাজুল ইসলাম, আবির, নীরব, নাবিল, মিজান, সৌরভ, আবদুল্লাহ, রায়েব সুলতানা রাইবা এবং রুবিনা ইয়াসমিনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের শরীরে রাবার বুলেট ও শটগানের ছররা গুলি লেগেছে।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের পক্ষে আল শাহরিয়ার দাবি করেন, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে, নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ অহেতুক টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। এতে অনেকে আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ কয়েকজনকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সঠিক সংখ্যা পরে জানানো যাবে বলে জানান শাহরিয়ার।

সোনাডাঙ্গা থানার ওসি মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীরা থানা-গেটে কিছু ইট পাটকেল নিক্ষেপ করেছিলো। এতে কেউ আহত হয়নি।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. মোজাম্মেল হক জানান, শান্তিপূর্ণভাবে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি পালন করার কথা ছিলো। কিন্তু তারা পুলিশের ওপর হামলা করেছে। বহু পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে বলে জানান তিনি।

(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)

২০:১৫ ২.৮.২০২৪

হবিগঞ্জে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষকালে গুলিবিদ্ধ হয়ে শ্রমিকের মৃত্যু

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকা গণমিছিল ও বিক্ষোভ চলাকালে হবিগঞ্জে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২ আগস্ট) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত শ্রমিকের নাম মোস্তাক মিয়া (২৮)। তার বাড়ি সিলেটে টুকের বাজার এলাকায়। তিনি হবিগঞ্জে পিডিবির ঠিকাদারের অধীন শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার বিকেলে শিক্ষার্থীরা গণমিছিল শুরু করলে, সিনেমা হল এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সংঘর্ষের মধ্যেই গুলিবিদ্ধ হন মোস্তাক মিয়া। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার সদর আধুনিক হাসপাতালে নেয়ার পর তার মৃত্যু হয়।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মোমিন উদ্দিন চৌধুরী এই মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে বিস্তারিত বলতে রাজি হননি তিনি।

(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)

১৯:২১ ২.৮.২০২৪

ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের গণমিছিল

ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের গণমিছিল
ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে শিক্ষার্থীদের গণমিছিল
কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার ও মামলা প্রত্যাহারসহ ৯ দফা দাবিতে শুক্রবার (২ আগস্ট) ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে শান্তিপূর্ণ গণমিছিল করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

এছাড়া, পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে অবস্থান নেয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এসময় শিক্ষার্থীরা মৃত্যুর ঘটনার বিচার দাবিতে নানা ধরনের স্লোগান দেন।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, শিক্ষার্থীরা পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ মিছিল করে চলে গেছেন। তারা শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছে এজন্য পুলিশ তাদের সহযোগিতা করেছে।

(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)

১৯:১৯ ২.৮.২০২৪

চট্টগ্রামে পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের বিক্ষোভ

চট্টগ্রামে বিক্ষোভ
চট্টগ্রামে বিক্ষোভ

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের আহবানে, চট্টগ্রামে,পুলিশের বাধা ও বৃষ্টি উপেক্ষা করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। শুক্রবার (২ আগস্ট) বৃষ্টি উপেক্ষা করে, নগরীর আন্দরকিল্লা চত্বর থেকে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মিছিল শুরু করেন। মিছিলটি টেরি বাজার, লালদীঘি পাড়, কোতোয়ালী হয়ে নিউ মার্কেট চত্বরে অবস্থান নেয় এবং বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

সেখানে প্রায় ৩০ মিনিটের মতো সমাবেশ করেন তারা। সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চট্টগ্রামের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি বলেন, “আমাদের ভাইদের হত্যার বিচারসহ ৯ দফা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। হত্যা, গ্রেপ্তার, হামলা ও মামলা দিয়ে এই আন্দোলন বন্ধ করা যাবে না। কোনো শিক্ষার্থী আক্রান্ত হলে, তার পুরো পরিবারসহ শত শত শিক্ষার্থী আন্দোলনে যোগ দিচ্ছেন।”

আন্দোলন ঘিরে আন্দরকিল্লা মোড়সহ চট্টগ্রাম নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা গেছে। পুলিশ প্রথমদিকে মিছিলে বাধা দেয়ার চেষ্টা করলেও, শিক্ষার্থীদের দৃঢ় অবস্থানের কারণে পিছু হটে।

বেলা ৩টার দিকে নিউ মার্কেট থেকে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে স্টেশন রোড, বিআরটিসি মোড়, কদমতলী অতিক্রম করে টাইগার পাস মোড়ে গিয়ে সমাবেশ করে। পরে, আবার মিছিল করে নগরীর ওয়াসার মোড়ে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করে বিকেল ৪টায়।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) রাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, চট্টগ্রামের অন্যতম সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি প্রার্থনা ও ছাত্র জনতার গণমিছিল কর্মসূচির ডাক দেন।

(এই প্রতিবেদনের কিছু তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)

আরও লোড করুন

XS
SM
MD
LG