পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কারখানা বন্ধের নির্দেশ বিজিএমইএ’র
শ্রমিকদের সুরক্ষার কথা বিবেচনা করে পোশাক কারখানা বন্ধ রাখতে মালিকদের অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে।
জনসাধারণকে কারফিউ মেনে চলতে ও সর্বাত্মক সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছে আইএসপিআর
দেশজুড়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির হওয়ায় রবিবার (৪ আগস্ট) থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারফিউ জারি করা হয়েছে। রবিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
জনসাধারণের নিরাপত্তা এবং গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অবকাঠামোর সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।
এই সময়ে জনসাধারণকে কারফিউ মেনে চলতে এবং কর্তৃপক্ষকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছে আইএসপিআর।
(এই রিপোর্টের তথ্য ইউএনবি থেকে নেয়া হয়েছে।)
'বাংলাদেশে মর্মান্তিক সহিংসতা বন্ধ করতে হবে': জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান
জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান ফলকার টুক রবিবার (৪ আগস্ট) বলেছেন "বাংলাদেশে মর্মান্তিক সহিংসতা বন্ধ করতে হবে।" শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্যবস্তু করা বন্ধ করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
টুক এক বিবৃতিতে বলেছেন, "আগামীকাল ঢাকায় একটি গণ মিছিল আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, এবং ক্ষমতাসীন দলের যুব-শাখাকে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে বলা হয়েছে, আমি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন যে আরও প্রাণহানি এবং ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ হবে।"
"আমি রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে তাদের (আন্দোলনকারীদের) জীবনের অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব পালন করার জন্য জরুরিভাবে আবেদন জানাচ্ছি।"
মৃতের সংখ্যা
প্রথম আলো তাদের রবিবারের (৪ আগস্ট) অনলাইন সংস্করণে বলছে, রবিবারের সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা ৯৮।
এএফপি তাদের রবিবারের প্রতিবেদনে বলছে, রবিবার অন্তত ৭৭ জন মারা গেছে।
রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনে বলছে, অন্তত ৯১ জন মারা গেছে।