অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

'টিকা কিনতে বাংলাদেশেকে ৯৪ কোটি অ্যামেরিকান ডলার ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এডিবি'


করোনাভাইরাসের টিকা কিনতে বাংলাদেশেকে ৯৪ কোটি অ্যামেরিকান ডলার, যা বাংলাদেশী ৭,৯৪৫ কোটি টাকার সমপরিমাণ, ঋণ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বা এডিবি।

বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়ে ম্যানিলা ভিত্তিক ঋণদাতা সংস্থাটি বলেছে এই ঋণের টাকায় বাংলাদেশ আনুমানিক ৪ কোটি ৪৭ লাখ ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা কিনতে পারবে এবং ২০২৪ সালের মধ্যে দুই কোটির বেশি মানুষকে ওই টিকা দেওয়া সম্ভব হবে। এতে বলা হয়েছে এই ঋণের অর্থ দিয়ে বাংলাদেশ করোনার টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স বা ইউনিসেফের মাধ্যমে অথবা সরাসরি উৎপাদনকারীর সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তির আওতায় টিকা কিনতে পারবে। এর আগে করোনাভাইরাসের টিকা কিনতে এডিবির কাছে ৫০ কোটি ডলারের ঋণ চেয়ে গত নভেম্বরে চিঠি দিয়েছিল বাংলাদেশ সরকার। বিবৃতিতে এডিবির প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়াকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশেকে এডিবির ধারাবাহিক সহযোগিতার অংশ হিসেবেই এই ঋণ দেয়া হবে যাতে ভাইরাস থেকে নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া যায়, ঝুঁকিতে থাকা জনগোষ্ঠীর জীবিকার উৎস গুলোকে নতুন করে গড়ে তোলা যায় এবং অর্থনীতিকে আগের প্রবৃদ্ধির ধারায় এগিয়ে নেয়া যায়।

এদিকে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এক ব্রিফিংয়ে বলেছে উন্নয়নশীল এবং দরিদ্র দেশগুলোতে করোনা ভাইরাসের টিকার মজুত শেষ হয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশ, উগান্ডা ও জিম্বাবুয়ের মতো দেশগুলোতে টিকার সঙ্কট কঠিন আকার ধারণ করেছে। ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির সিনিয়র উপদেষ্টা ড. ব্রুস আইলওয়ার্ড বলেছেন কোভ্যাক্স কর্মসূচির মাধ্যমে ১৩১টি দেশকে এ যাবৎ সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ৯ কোটি ডোজ টিকা যদিও এই কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২১ সালের শেষ নাগাদ বিশ্বজুড়ে ২০০ কোটি ডোজ টিকা বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সকল দেশে কোভ্যাক্স কর্মসূচির মাধ্যমে টিকা বিতরণ করে কমপক্ষে শতকরা ২০ ভাগ মানুষের সুরক্ষা নিশ্চিত করার আশা করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন উৎপাদন খাতের সমস্যার কারণে কর্মসূচিতে বিঘ্ন ঘটায় এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।

XS
SM
MD
LG