অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে পোশাক শিল্পে অস্থিরতা


বাংলাদেশে পোশাক শিল্পে অস্থিরতা

স্বাধীনতা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের যেসব অর্জন সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পোশাক শিল্প। দেশের অভ্যন্তরে বিশাল সংখ্যক লোকের শ্রম সংস্থান করছে এই শিল্পটি, এবং গত কয়েক বছরে এই খাতে বেশকিছু উন্নতি হয়েছে, তা সত্বেও পোশাক শ্রমিকদের মধ্যে মাঝে মধ্যেই অশোন্তোষ ধূমায়িত হয়, অনেক ক্ষেত্রে পোশাক শিল্প শ্রমিকেরা রাস্তায় নামছেন বিক্ষোভ করতে, তাদের নানা দাবী দাওয়া নিয়ে। ওদিকে শিল্পমালিকেরাও কিছু কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছেন শ্রমিকদের কল্যানকল্পে। পোশাক শিল্পের উজ্জ্বল ভবিষ্যত রয়েছে এবং বিশ্ব বাজারে এই শিল্পকে ধরে রাখতে হলে বাংলাদেশে শ্রমিক মালিক দুই পক্ষকেই সহযোগিতা সমঝোতার মাধ্যমে উত্পাদন অব্যাহত রাখতে হবে। কোন কোন সময় পোশাক শ্রমিকদের উষ্কানী দিয়ে অরাজকতা সৃষ্টিরও অভিযোগ শোনা যায়। আজকের আলোচনায় শ্রোতারা এই সব দিকের ওপরই প্রশ্ন করেছেন।


আজ হ্যালো ওয়াশিংটন কলইন শো’এর প্যানেলে অতিথি আলোচক হলেন BGMEA র প্রেসিডেন্ট ও এনভয় গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরক্টর আব্দুস সালাম মুর্শিদী। আর একজন অতিথি আলোচক, হচ্ছেন এ্যাডভোকেট এ কে এম নাসিম। American Center for International Labor Solidarity (ACILS), বা Solidarity Center নামে পরিচিত সংস্থার প্রোগ্রাম অফিসার তিনি।
এ্যাডভোকেট নাসিম বলেন, পোশাক শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অনুমতি দেওয়া হয়না, ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের অনেক দাবী দাওয়ার দীর্ঘ মেয়াদী সুরাহা হতে পারে। তিনি আরো বলেন, নিম্নতম বেতন কাঠামো নয় পূর্নাঙ্গ বেতন কাঠামো তৈরি করা অত্যন্ত প্রয়োজন।
বিজিএমই’এর ডাইরেক্টর আব্দুস সালাম মুর্শিদী বলেন, শ্রমিকদের স্বাধীনতা আছে ট্রেড ইউনিয়ন করার। প্রায়ই শ্রমিক অসন্তোষের ঘটনা ঘটছে কেন এই প্রশ্নের জবাবে মি: সালাম মুর্শিদী বলেন হাজার হাজার গার্মেন্ট কারখানার মধ্যে দু একটিতে মাঝে মাঝে গোলমাল হওয়াটা স্বাভাবিক। তিনি বিজিএমই’এর পক্ষ থেকে শ্রমিকদের কল্যাণে কি কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে বলেন।


আলোচনায় একটা প্রশ্ন ছিল, গার্মেন্টসে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও দাবী আদায়ের নামে প্রায় অর্ধশত সংগঠন গড়ে উঠেছে। গোপন প্রতিবেদনে প্রকাশ কয়েকটি সংগঠন সম্প্রতি আন্দোলনের নামে গার্মেন্টস শ্রমিকদের উস্কে দেওয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ সেন্টার ফর ওয়ার্কার্স সলিডারিটির নিবন্ধন বাতিল করেছে এনজিও বিষয়ক বিউরো। এ প্রসঙ্গে এ্যাডভোকেট নাসিম বলেন, যে নামের এনজিওর কথা উল্লেখ করেছেন প্রশ্নকারি শ্রোতা, সে প্রতিষ্ঠানগুলো আইন সম্মতভাবেই গঠিত হয়েছে এবং তাদের কর্মকান্ড চালাচ্ছে। এর সংগে দ্বিমত পোষন করেন সালাম মুর্শিদী।

সংশ্লষ্ট

XS
SM
MD
LG