অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে চালের বাজার অস্থির। ৪৬ টাকার নিচে বাজারে কোন চাল নেই। এটা বাংলাদেশে সর্বকালের রেকর্ড। ২০০৭-২০০৮ সনে সেনা সমর্থিত সরকারের সময় মোটা চালের দাম ৪০ টাকায় উঠেছিল। স্বাধীনতার পর সেটাই ছিল সর্বোচ্চ। সরকারি হিসেবে গত ১ বছরে চালের দাম বেড়েছে ৪৭ শতাংশ। খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম দাম বৃদ্ধিকে কৃত্রিম সংকট হিসেবেই দেখতে চান। তার মতে, বিএনপি ঘরানার কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারসাজিতে বাজারে চালের দাম বেড়েছে। সংবাদ মাধ্যমকেও তিনি দায়ী করছেন। বলছেন, তাদের অতিরঞ্জিত রিপোর্ট পরিস্থিতিকে বেসামাল করেছে। কিন্তু চাল ব্যবসায়ীরা মন্ত্রীর যুক্তিকে অগ্রাহ্য করছেন। তারা বলছেন, যদি কৃত্রিম সংকটই হয়ে থাকবে তাহলে সরকার কি করছে। তাদের হাতে তো অনেক বাহিনী রয়েছে।

বগুড়া জেলার চালকল সমিতির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বলেন, যা সত্য তাই বলা ভাল। সরকার যদি মনেই করে কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করা হয়েছে তাহলে তারা ঢাকায় বসে আছেন কেন?
পরিস্থিতি মোকাবেলায় জরুরি ভিত্তিতে ৬ লাখ টন চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ভিয়েতনাম থেকে ৪ লাখ টন চাল আমদানি করা হচ্ছে। থাইল্যান্ডসহ অন্যান্য দেশ থেকেও আমদানির চেষ্টা চলছে। সরকার চাইছে ১০ লাখ টন চাল আমদানি করতে। বর্তমানে চালের মূল্য বৃদ্ধির জন্য ৩টি কারণকে দায়ী করা হচ্ছে। হাওরে ফসলহানি, অতিবৃষ্টি ও কয়েকটি জেলায় ধান ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগের প্রকোপ। তাই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এসব কারণে ১৫ থেকে ২০ লাখ টন চাল কম উৎপাদন হবে এ বছর।
ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী

XS
SM
MD
LG