অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

দ্বিতীয় ঢেউ বাংলাদেশের পোশাক খাতকে ফের চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে


পশ্চিমা দুনিয়ায় লকডাউন শুরু হয়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের পোশাক খাত আবার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। পোশাক ব্যবসায়ীরা আশংকা করছেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দীর্ঘায়িত হলে অর্ডার বাতিল হতে পারে। এমনিতে প্রথম ধাক্কা এখনও কাটিয়ে উঠা সম্ভব হয়নি। বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক বলেছেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় তারা খুবই উদ্বিগ্ন। কারণ মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়ে যাওয়ায় রপ্তানির ভলিউম কমে যেতে পারে। ক্রেতারা তাদের অর্ডার স্থগিত করে দিতে পারেন। এর ফলে পোশাক খাতে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। পরিস্থিতি শ্রমিক ছাঁটাইয়ের দিকে নিয়ে যাবে এই আশঙ্কাতো রয়েছেই।

বাংলাদেশ ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৩৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছিল। এটি ছিল মোট রপ্তানির ৮৪ শতাংশ। গত বছরের শেষ দিকে করোনা ভাইরাস গোটা বিশে^ ছড়িয়ে পড়ার পর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মার্চ মাসের শুরুর দিকে বাংলাদেশের পোশাক খাত বড় রকমের সঙ্কটের মধ্যে পড়ে। অনেক গার্মেন্ট কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। রপ্তানিও কমে আসে।
ইউরোপে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় বাজার ফের ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। কিন্তু অক্টোবর মাসের শেষ দিক থেকেই আবার লকডাউন শুরু হয়। এই অবস্থায় পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে এ নিয়ে পোশাক শিল্প সংশ্লিষ্টরা খুবই চিন্তিত।

ওদিকে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কিভাবে মোকাবিলা করা যায় এজন্য এশিয়ার পাঁচটি দেশ এক বৈঠকে মিলিত হয়ে কর্মকৌশল ঠিক করেছে। চীনের আয়োজনে বৈঠকটি হয় ডিজিটাল মাধ্যমে। বাংলাদেশ এতে অংশ নেয়। নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলংকাও বৈঠকে অংশ নেয়। চীনের তরফে পরীক্ষা, চিকিৎসা ও ওষুধের বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। পণ্য সরবরাহ সহযোগিতা বৃদ্ধি অব্যাহত রাখার কথাও বলেছে চীন।
করোনা ভাইরাসে গত ২৪ ঘণ্টায় আরো ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৫৩১ জন।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:46 0:00
সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG