অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জুন মাসের শেষের দিকে সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দ্বিগুন হতে পারে

বাংলাদেশে প্রতিদিনই করোনা সংক্রমণে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশী- বিদেশী একটি গবেষক দল তাদের গবেষণা শেষে সতর্ক করে দিয়েছে যে, চলতি জুন মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশে করোনা সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দ্বিগুন হতে পারে। তারা বলছেন, করোনা শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৫০ হাজারের বেশি। এই সংখ্যা জুনের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ৮৭ হাজার এবং জুনের শেষ নাগাদ ১ লাখ ২৩ হাজারে পৌঁছে যেতে পারে। করোনা সংক্রমণের ধারা এবং রোগতত্ত্ব বিষয়ক গবেষণা পদ্ধতি অনুসরণ করে কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্য দফতরের যৌথ ওই ধারণামূলক গবেষণাটি করা হয়েছে। ওই গবেষণায় বলা হয়েছে, করোনার সব বাধা নিষেধ তুলে নেয়ায় করোনার দ্রুত বিস্তার হতে পারে। বর্তমানের ধারা চললে ব্রাজিল বা রাশিয়ার মতো করোনার পরবর্তী এপিসেন্টার বা উপকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে বাংলাদেশ। গবেষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বে করোনা সংক্রমণ পরীক্ষার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন হারের যেসব দেশ রয়েছে বাংলাদেশ তার একটি। এখানে প্রতি ১০ হাজার জনের মধ্যে মাত্র ২জনকে পরীক্ষা করা হয়েছে।



এদিকে, সরকারি স্বাস্থ্য দপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে বলা হয়, গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরো ৩৭ জন মারা গেছেন। আর এ নিয়ে করোনায় মৃত্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪৬ জনে। আর ওই সময়ে শনাক্ত হয়েছে ২৬৯৫ জনের। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৫৫ হাজার ১৪০ জন। সরকারি হিসেবেই দেখা যায়, গত ২৪ মে করোনা শনাক্ত হয়েছিলেন ৩৩ হাজার ৬১০ জন এবং ৩ জুন এসে এই সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৫ হাজার ১৪০ জনে। অর্থাৎ ১১ দিনে করোনা শনাক্তের সংখ্যা ২১ হাজার ৫৩০ জন বেঁড়েছে। আবার লক ডাউন যেদিন তুলে নেয়া হয় সেদিন অর্থাৎ ৩১ মে শনাক্ত হন ৪৭ হাজার ১৫৩ জন। ৩ জুন পর্যন্ত অর্থাৎ ৪দিনেই বেড়েছে প্রায় ৮ হাজার জন শনাক্ত রোগী। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম খবর দিয়েছে যে, খুলনা-গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জসহ দেশের ৮ জেলায় করোনার সব উপসর্গ নিয়ে পরীক্ষাবিহীন অবস্থায় গত ২৪ ঘন্টায় ১৫ জন মারা গেছেন।

ঢাকা থেকে আমীর খসরুর প্রতিবেদন।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:04 0:00


This item is part of
XS
SM
MD
LG