বাংলাদেশে দুর্নীতি দমনে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক কর্মকর্তাদের দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়াকে উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
রোববার ঢাকায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্নাঙ্গ বেঞ্চ দুদকের একটি দুর্নীতি মামলার শুনানিতে এমন মন্তব্য করে। ঐ মামলার শুনানি চলাকালে আদালত দুদকের আইনজীবীর কাছে জানতে চেয়েছে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক ডিআইজি মিজানুর রহমানকে কেন এখনো প্রেপ্তার করা হচ্ছে না। আদালত আইনজীবীকে আরো জিজ্ঞেস করেছে, ডিআইজি মিজান দুদকের চেয়ে বড় কিছু কিনা। জবাবে দুদকের আইনজীবী ডিআইজি মিজানকে গ্রেফতারের বিষয়ে আইনগত কিছু সমস্যার কথা আদালতে তুলে ধরেন।
ডিআইজি মিজানের অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শেষে প্রায় এক বছর পর প্রতিবেদন জমা দেন দুদক পরিচালক খান্দকার এনামুল বাছির। কিন্তু সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ডিআইজি মিজান দাবি করেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন।