বাংলাদেশের দুটো স্থানে মুরগি খামারে বার্ডফ্লু ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি শনাক্ত করা গেছে। প্যারিসভিত্তিক World Organization for Animal Health এ তথ্য জানিয়েছে এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশী স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা তা স্বীকার করেছেন। গত সপ্তাহে প্রথম ঘটনাটি ধরা পড়ে ঢাকার অদূরে ধামরাইয়ের এক মুরগী খামারে। ওই স্থানে ৭শ’র বেশি মুরগী বার্ড ফ্লুতে মারা যায়। আর দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে রাজশাহীতে। এখানে ৪ শতাধিক মুরগী মারা যায়। তবে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ঠ কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ করে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। এদিকে, সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্বের সব দেশকে সতর্ক করে দিয়ে বার্তা দিয়েছে। বাংলাদেশে ২০০৭ সালে প্রথম বার্ড ফ্লু শনাক্ত এবং ওই সময় ১০ লাখেরও বেশি মুরগী মারা যায় ও মেরে ফেলা হয়। ২০০৯ সালে আবার বার্ড ফ্লু দেখা দিলে প্রায় ১৭ লাখ মুরগী মারা যায় ও মেরে ফেলা হয়। ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে ১৬ মাস বয়সী এক শিশু প্রথম বার্ডফ্ল ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে সে সুস্থ হয়ে উঠে। এরপরে বাংলাদেশে আর কোনো মানুষের মধ্যে এই ভাইরাস সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়নি।এ সম্পর্কে ঢাকা থেকে রিপোর্ট পাঠিয়েছেন আমীর খসরু।