অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বিমানবন্দর হামলায় নিহত সেনা পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন প্রেসিডেন্ট বাইডেন


সমাহিত দেহ হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন জো বাইডেনI আত্মঘাতী বোমা হামলায় নিহত যুক্তরাষ্ট্র সেনাদের মরদেহ ডোভার বিমান ঘাঁটিতে এসে পৌঁছায় ২৯শে অগাস্ট, ২০২১- রয়টার্স

কাবুল বিমানবন্দরে সম্প্রতি নিহত ১৩ জন আমেরিকান সেনার পরিবার পরিজনের সঙ্গে প্রেসিডেন্ট বাইডেন একান্ত সাক্ষাৎ করেছেন I নিহতদের মরদেহ আফগানিস্তান থেকে আনার পর যুক্তরাষ্ট্রের মাটি স্পর্শ করলে, 'সন্মান প্রদর্শন করে মরদেহ হস্তান্তর' প্রক্রিয়ায় যোগ দিতে ডোভার বিমান ঘাঁটিতে প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও তাঁর স্ত্রী, ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন বিমান ঘাঁটিতে আসেন I বিদেশে যুদ্ধে নিহত আমেরিকান সেনাদের প্রতি এভাবেই সামরিক মর্যাদায় সন্মান জানানো হয়ে থাকে I

এসব মৃত সেনার মধ্যে রয়েছেন ২০ থেকে ৩১ বছর বয়সী সেনা সদস্য, কেউক্যালিফর্নিয়া, কেউ ম্যাসাচুসেটস বা মাঝামাঝি কোনো রাজ্যেরI ওয়াইওমিং থেকে নিহত ২০ বছরের মেরিন সেনা, আগামী ৩ সপ্তাহের মধ্যে তাঁর প্রথম সন্তান আশা করছিলেনI তেমনিভাবে ২২ বছরের নৌ সদস্য তাঁর মার্ সঙ্গে ফেইস টাইম আলাপে বলেছিলেন " আমি নিরাপদেই থাকবো, কারণ আমার সহযোদ্ধারা আমাকে দেখে রাখছে"I

নিহত ঐ ১৩ জন সেনা সদস্য আফগানিস্তানে কর্মরত ছিলেন, যেখানে দীর্ঘ যুদ্ধের শেষে বিশৃঙ্খল উদ্ধার অভিযানে আমেরিকান নাগরিক এবং আফগান সহায়তাকারীদের উদ্ধার প্রক্রিয়ায় তারা সহায়তা করছিলেনI

প্রেসিডেন্ট বাইডেন এক বিবৃতিতে বলেন, যে ১৩জন সদস্য সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন, এরা অন্যদের বাঁচাতে আমেরিকার মূল্যবোধের সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত গড়েছেনI তাদের সাহসিকতা, নিঃস্বার্থ অবদান এযাবৎ ঝুঁকিপূর্ণ১,১৭,০০০ 'র বেশি লোককে নিরাপদে নিয়ে আসতে সাহায্য করেছেI

প্রতিটি শবাধার, সামরিক পরিবহন বিমান থেকে অপেক্ষমান গাড়িতে হস্তান্তরের সময় প্রেসিডেন্ট বাইডেন তাঁর বুকের ওপর হাত দিয়ে এবং চোখ বন্ধ রেখে প্রার্থনায় মগ্ন ছিলেনI

নিহত সেনাদের পরিবারের সদস্যরা সাধারণত আমেরিকার মাটিতে অবশিষ্ট্যাংশ গ্রহণ করতে ডোভার বিমান বন্দরে এসে থাকেনI তবে সামরিক কর্মকর্তারা জানান,বৃহস্পতিবারের হামলায় মৃতের সংখ্যা অত্যধিক থাকায়, প্রতিরক্ষা দপ্তরের ডোভার ফিশার হাউজ, শোকার্ত এতো পরিবারকে থাকার জায়গা করে দিতে না পারায়, প্রিয়জনদের অনেকেই সেখানে আসতে পারেন নিI

(এপি)

XS
SM
MD
LG