অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ফুটবলের সর্ববৃহৎ আসর দেখতে হাজার হাজার ফুটবল ভক্ত ব্রাজিলে


বিশ্ব ফুটবলের সর্ববৃহৎ আসর বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে সারা পৃথিবী থেকে হাজার হাজার ফুটবল ভক্ত জড়ো হয়েছেন ব্রাজিলে। খেলা দেখার পাশাপাশি সেখানে সফরকারীরা উপভোগ করছেন রিও ডি জেনেরিওর বিশ্ববিখ্যাত কোপাকাবানা বীচসহ ব্রাজিলের বিভিন্ন এলাকার অপরূপ সৌন্দর্য। ভয়েস অব আমেরিকার ব্রেইন এ্যালেন (Brian Allen) এ নিয়ে রিপোর্ট করেছেন। শোনাচ্ছেন সেলিম হোসেন।
please wait

No media source currently available

0:00 0:02:17 0:00
সরাসরি লিংক


বিশ্বকাপ ফটবল উন্মাদনা বিশ্বজুড়ে। আর ব্রাজিল দুলছে সেই উন্মাদনায়। ব্রাজিলের ১২টি শহর সেজেছে অপরূপ সাজে। এর মধ্যে রিও ডি জেনেরিও একটি। মেঘাচ্ছন্ন আকাশ। কিন্তু তাতে কি? পর্যটকরা তার পরোয়া করেন না।

যার যে দেশ বা যে যে দলের ভক্ত সেই দলের জার্সি গায়ে দিয়ে বেরিয়েছেন। দলে দলে ঘুরছে সবাই শহরের এখানে ওখানে। কোপাকাবানী বীচের সর্বত্র এখন মানুষের ভীড়। একদল তার পছন্দের দলের নামে চিৎকার দিয়ে উঠছে তো পরক্ষনের অপর দল তাদের পছন্দের দলের নাম ধরে চিৎকার দিচ্ছে।

রিওডি জেনেরিও, সাও পাওলোসহ ব্রাজিলের অন্যান্য শহরগুলোএখন উৎসবমুখর। বিশ্বের হাজারো মানুষের ভীড় সর্বতো্রই।

হল্যান্ডের পর্যটক ভিনসেন্ট ব্রুঘুইজ খেলা দেখতে আসতে পেরে ভীষণ খূশী। জানালেন এভাবেই।

“আমার এই মুহুর্তে যে অনুভুতি তা হচ্ছে, চমৎকার। বীচের এক বারে গত রাতে দারূন সময় কাটে। হল্যান্ডের সবগুলো ম্যাচ দেখবো আমি”।

আমেরিকান পর্যটক রাফিন ট্যানার জানালেন আমেরিকানহলেও তিনি ষ্পেন দলের ভক্ত।

“এখানে সবাই খুব বন্ধুসুলভ। প্রথম রাতে আমি অস্ট্যিয়ানিদের সঙ্গে ডিনার করলাম। আজ অেজৃন্টিনানদের সঙ্গে লাঞ্চ করলাম। একা এসেছি কিন্তু এখানে এসে অনেক বন্ধু পেলাম”।

এবার আর্জেিন্টনা থেকে সবচেয়ে বেশী; বলা যায় রেকর্ড সংখ্যক পর্যটক ব্রাজিলে এসেছেন। তাদের একজন হচ্ছেন লিওনেল। তিনি বিশ্বাস করেন যে এবারের বিশ্কাপ জিতকব আর্জেন্টিনা।

“আমার বিশ্বাসআছে, সব সময়ই বিশ্বাস করে এসেছি। বিশেষ করে লিওরেনল মেসি আমাদেরকে জিততে সহায্য করবেন”।

ইস্তাম্বুল থেকে এসেছেন এই ভদ্রলোক।
“গতকাল এসেছে। প্লেনে অনেক বসনিয়ানদের সঙ্গে আলাপ হলো। এখানে এসেও তাদের সঙ্গেই ঘুরছি। তাদের সঙ্গে আমাদের ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এদেরকেই সমর্থনকরছি। আমি বসনিয়ার সমর্থক”।

তিনি বললেন রিওতেআসা তার আজীবনের স্বপ্নযা এখন পূরণ হয়েছে।

“আমি ফুটবল ভালোবাসি। শিশুকাল থেকে স্বপ্ন দেখেছি এখানে আসবো। আমি আজ ব্রাজিলে এসেছি। আমার খুব ভালেঅ লাগছে”।

জুলাইয়ের ১৩ তারিখ, অর্থাৎ বিশ্বকাপ ফুটবলের ফাইনাল খেলা পর্যন্ত রিও ডি জেনেরিও সহ কোপাকাবানা বীচ এবং সমগ্র ব্রাজিল জুড়ে চলবে উৎসব আর আনন্দের বন্যা।
XS
SM
MD
LG