অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ইন্দোনেশিয়ায় মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে 


ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার লুমাজাং শহরে মাউন্ট সেমেরুতে অগ্নুৎপাতের পর লাভার স্রোতে ধ্বংসপ্রাপ্ত সেতুর পাশে দাঁড়িয়ে গ্রামবাসীরা, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২১, ছবি হেন্দ্রা পারমানা/এপি

কর্মকর্তারা রবিবার জানান, ইন্দোনেশিয়ার সবচাইতে জনবহুল জাভা দ্বীপের সর্ববৃহৎ আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাতের পর সেখানে মৃতের সংখ্যা এখন ১৪; ৭জন এখনো নিখোঁজ রয়েছেনI ধোঁয়ায় আচ্ছাদিত ধ্বংসাবশেষ এবং ঘন কাদার জন্য তল্লাশি তৎপরতা সেখানে ব্যাহত হচ্ছেI

পূর্ব জাভা দ্বীপের লুমাজাং শহরে অবস্থিত মাউন্ট সেমেরু আগ্নেয়গিরির মুখ থেকে১২০০০ মিটারের বেশি উচ্চতায় আকাশে গাঢ় ছাই ছড়িয়ে পরে এবং শনিবার ভারী বর্ষণের পর হঠাৎ করে অগ্নুৎপাতের পর উত্তপ্ত গ্যাস ও লাভা পাহাড়ের গা ঘেঁষে নীচে নেমে আসেI বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে পড়া ছাইয়ে কয়েকটি গ্রাম আচ্ছাদিত হয়ে যায়I

ভূতাত্ত্বিক জরিপ কেন্দ্রের প্রধান, একো বুদি লেলোনো বলেন, একটি বজ্রঝড় ও কয়েক দিনের বৃষ্টি ৩,৬৭৬ মিটার উচ্চতায় মাউন্ট সেমেরু'র মুখটি ক্ষয় করলে, তা ভেঙে অগ্নুৎপাতের সৃষ্টি হয়I

তিনি জানান, উত্তপ্ত গ্যাস ও লাভার প্রবাহ শনিবার অন্তত দুবার ৮০০ মিটার প্রবাহিত হয়ে নিকটবর্তী নদীতে নেমে আসেI ভূতাত্ত্বিক এজেন্সী থেকে জনগণকে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ মুখ ৫ কিলোমিটার দূরত্বে সরে থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছেI

লুমাজাং শহরের প্রধান, থোরিকুল হক জানান, ঘন ছাইয়ের আচ্ছাদনে কতগুলি গ্রামে অন্ধকার নেমে আসে"I শতাধিক জনগণকে অস্থায়ী আশ্রয়স্থলে বা অন্যত্র নিরাপদ এলাকায় সরিয়ে নেয়া হয়েছেI এছাড়াও তিনি জানান, বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হয়েছেI

কর্মকর্তা হক বলেন, ধ্বংসাবশেষ ও লাভা বৃষ্টির জলে মিশে যে ঘন কাদার সৃষ্টি হয়, তা লুমাজাং এবং পার্শ্ববর্তী শহর মালাং সংযোগকারী প্রধান সেতু ও অন্যান্য কয়েকটি ছোট সেতুকে বিনষ্ট করেI

ভূতাত্ত্বিক জরিপ কেন্দ্রের প্রধান, লেলোনো বলেন, বুধবার থেকে তৎপরতা বৃদ্ধি সত্ত্বেও সেমেরু আগ্নেয়গিরির সতর্ক সংকেত গত বছর অগ্ন্যুৎপাত শুরু হওয়ার পর সর্বোচ্চ চার লেভেলের মধ্যে তিনে অবস্থান করছে এবং ইন্দোনেশিয়ার ভূতাত্ত্বিক দুর্যোগ নিরসনের আগ্নেয়গিরি কেন্দ্র এ সপ্তাহেও সেই সতর্ক সংকেত মাত্রা বৃদ্ধি করে নিI

XS
SM
MD
LG