অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

রূপগঞ্জের কারখানার বাইরে যাবার মূল দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল: দেবাশীষ বর্ধন


Bangladesh Factory Fire

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অদূরে একটি খাদ্য ও পানীয় কারখানায় আগুন ধরে গেলে কমপক্ষে ৫২ জন প্রাণ হারায় বৃহস্পতিবার রূপগঞ্জে হাশেম ফুডস লিমিটেডের কারখানায় আগুন ধরে যায়। শুক্রবারও পুলিশ আগুন নেভানোর চেষ্টা করছিল।

পুলিশ প্রথমে তিনজনের মৃত্যুর খবর দিলেও, আগুন নেভানোর পর শুক্রবার বিকেলে লাশের স্তুপ খুঁজে পায়।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল মোমেন সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে অনুসন্ধান দল মোতায়েন করা হয়।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-পরিচালক দেবাশীষ বর্ধন জানান কারখানার সবচেয়ে ওপরের দুটি তলায় অনুসন্ধান করা এখনও সম্ভব হয়নি।

তিনি বলেন কারখানার বাইরে যাবার মূল দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল এবং যারা মারা গেছে তাদের মধ্যে অনেকেই আটকা পড়েছিলেন।

ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ এজেন্সি জানিয়েছে অনেক শ্রমিক কারখানার উপরের তলা থেকে ঝাঁপিয়ে পড়েন যাদের মধ্যে অন্তত ২৬জন আহত হন।

কত লোক কারখানায় ছিল এবং কতজন নিখোঁজ তাত্ক্ষণিকভাবে তা জানা সম্ভব হয়নি। ঘটনাস্থলের সামনে স্বজনেরা সমবেত হয়ে শোক প্রকাশ করেন এবং যাঁরা লাশ সনাক্ত করছিলেন তাঁদের কাছে ডিএনএ’র নমুনা প্রদান করেন।

মোহাম্মদ জাহেদ বলেন, বিকাল ৪টার সময় যখন কারখানায় আগুন ধরে যায় তখন তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম কাজ করছিলেন।

এসোসিয়েটেড প্রেসকে তিনি জানান"স্ত্রীর ফোন সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত সচল ছিল। এরপর বন্ধ হয়ে যায়।

ওদিকে, এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন নারায়ণগঞ্জের কারাখানায় আগুনে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে।কমিশন মনে করে একের পর এক অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির

ঘটনা কোন ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় এবং অবহেলায় আটকেপড়া অসহায় শ্রমিকদের মৃত্যুর দায় মালিকপক্ষ এড়াতে পারেনা। এটি মানবাধিকারের

চরম লঙ্ঘন।সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ উদঘাটন

করে জড়িতদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনার দাবী জানায় বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন।

XS
SM
MD
LG