অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের চিত্রটা বেশ উজ্জ্বল। ১৯৭১ সাল থেকে এই ২০১৭ সাল পর্যন্ত, সময়ের ব্যবধানে বাংলাদেশ যে বহুদূর এগিয়েছি কেবল তাই নয়, নানান চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে অর্থনৈতিক পরিমাপেও বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা উল্লেখযোগ্য। এই তো মাস কয়েক আগেই আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল অর্থাৎ আইএমএফ'র ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টার মন্তব্য করেছিলেন যে গত দু'দশকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে রূপান্তর ঘটেছে উল্লেখযোগ্য হারে। ১৯৯০ সালের তুলনায় এখন দারিদ্র প্রায় ৫০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, নারীদের কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান দৃঢ়। ২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবার লক্ষ্যের দিকেই বাংলাদেশ এগুচ্ছে।

মানব-উন্নয়নের মাপকাঠিতেও বাংলাদেশের সাফল্য ভারত ও পাকিস্তানের তুলনায় বেশি। আশাবাদের এই দিকটির পাশপাশি আশংকা, ঠিক বলবো না, চ্যালেঞ্জও রয়েছে অনেক। রেমিটেনস আয় কমে যাওয়া, বিনিয়োগ হ্রাস পাওয়া- এসব বিষয় বাংলাদেশের অর্থনীতির অগ্রযাত্রাকে কি মন্থর করে তুলবে? এই মৌলিক জিজ্ঞাসার জবাব খুঁজবো আজকের হ্যালো ওয়াশিংটনে।

আপনাদের জিজ্ঞাসা আর আমাদের বিশেষজ্ঞ অতিথীদের জবাবের মধ্য দিয়েই আমরা জেনে নেবো বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত। আজ টেলি-সম্মিলনী লাইনে আমাদের অতিথী ছিলেন ঢাকা থেকে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সংক্ষেপে সিপিডি'র Distinguished Fellow অর্থাৎ বিশেষ সম্মানিত ফেলো অধ্যাপক মুস্তাফিজুর রহমান। আমাদের অপর অতিথী ছিলেন Bangladesh Institute of Development Studies এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ। আজকের 'হ্যালো ওয়াশিংটন' সঞ্চালন করেছেন আনিস আহমেদ।

XS
SM
MD
LG