অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

পবিত্র হজের পর মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম জমায়েত হচ্ছে বিশ্ব ইজতেমা। ১৯৬৭ সাল থেকে বিশ্ব ইজতেমা নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে বাংলাদেশে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে লাখ লাখ ধর্ম প্রাণ মুসুল্লি সমবেত হন এই সমাবেশে। এবারের ইজতেমা দুটি পর্বে অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম পর্ব শুরু হবে ১৩,১৪ ও ১৫ জানুয়ারী আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবং দ্বিতীয় পর্ব শুরু হবে ২০,২১ ০ ২২ জানুয়ারী। আর তাই টঙ্গির তুরাগ নদীর তীরে চলছে নানা রকম প্রস্তুতি। দিনভর কাজ করছেন স্বেচ্ছাসেবকরা। ইতিমধ্যে প্যান্ডেল তৈরি, খাবার পানি, পয়নিষ্কাশন সহ সব ধরনের কাজ প্রায় সম্পন্ন। বিদেশী অতিথিদের জন্য রাখা হয়েছে সুব্যবস্থা। ইজতেমা স্থলের আশেপাশে দোকানীরা বসেছেন নানা রকম পসরা নিয়ে।

২০১৬ সালে বিশ্ব ইজতেমায় যে ৩২ টি জেলা বাদ পরেছিল জায়গা সংকুলানের অভাবে, এবারের ইজতেমায় সেই ৩২ জেলার লোকজন অংশ নিবেন। এছাড়া ইজতেমায় মাঠ সহ আশেপাশের নিরাপত্তা জোরদার করতে পুলিশ ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা নিযুক্ত থাকবে। মুসুল্লিদের ইজতেমা স্থলে আসতে যেন কোন অসুবিধা না হয় তার জন্য সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের উপ-মহাব্যবস্থাপক এম রফিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন-বিভিন্ন রুটে ২২৮ টি বাস ইজতেমা যাত্রীদের পরিবহনে নিযুক্ত থাকবে। এ ছাড়া ও ট্রেনের সুব্যবস্থা করা হয়েছে। থাকবে ফায়ার সার্ভিস ও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা। প্রতি বছর ২৫ লাখের বেশী মুসুল্লির সমাগম ঘটে এই ইজতেমায়।

XS
SM
MD
LG