অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আমেরিকায় বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরেছিলেন ডঃ ডেভিড নেলিন 


১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস। দেখতে দেখতে দীর্ঘ ৪৯ বছর কেটে গেল। স্বাধীনতা সংগ্রামে যেমন যোগ দিয়েছিলেন বাঙ্গালীরা প্রাণ দিয়েছিলেন লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশী, সেই সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে স্বাধীনতা অর্জনে যোগ দিয়েছিলেন অনেক বিদেশীরাও।

১৯৭১ সালে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এবং পাকিস্তানের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সমর্থনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন কিছু উদারপন্থী আমেরিকান তরুণ। যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেস এবং আমেরিকার জনগণের কাছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ভয়াবহ চিত্র এবং নৃশংস হত্যাকাণ্ড তুলে ধরতে আমেরিকান তরুণরা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বাংলাদেশ ইনফর্মেশনাল সেন্টার। তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তানে আমেরিকান কন্স্যুলেটের কর্মকর্তা, কলেরা রিসার্চ ইনিষ্টিটিউটে কর্মরত আমেরিকান চিকিৎসক, হারভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকসহ আরও অনেকে ঐ আন্দোলনে শরিক হয়েছিলেন। মেরিল্যান্ডের বল্টিমোর বন্দরে পাকিস্তানগামী অস্ত্র বোঝাই জাহাজ ঘেরাও থেকে শুরু করে হোয়াইট হাউজের সামনে প্রতিবাদ করেছেন তারা।

বাংলাদেশ ইনফর্মেশন সেন্টারের পক্ষ থেকে কংগ্রেসের কাছে পাক সেনাদের বর্বরতা এবং বাংলাদেশীদের নির্বিচারে হত্যার ছবি পাঠিয়ে যুদ্ধ বন্ধের জন্য আবেদন করা হয়। যার ফলশ্রুতিতে কংগ্রেস তদন্ত শুরু করেছিল। ঐ সময় সেনেটার টেড কেনেডি,সেনেটার স্যাক্স বি, সেনেটার মোন্ডেলসহ অনেকে সাড়া দিয়েছেন এবং পাকিস্তানের পক্ষ সমর্থন বন্ধ করার জন্য নিক্সন সরকারের উপরে চাপ সৃষ্টি করে ছিলেন। বাংলাদেশ ইনফর্মেশন সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন চিকিৎসক এবং গবেষক ডক্টর ডেভিড নেলিন। ডঃ নেলিন এক সাক্ষাতকারে ঐ সময়ে স্মৃতিচারণ করলেন তাহিরা কিব্রিয়ার সঙ্গে। বিস্তারিত দেখতে এবং শোনার জন্য অডিও/ভিডিওতে চাপ দিন।

XS
SM
MD
LG