অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

জো বাইডেনের সঙ্গেও ভারতের একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে


শুধুমাত্র কামালা হ্যারিসই নন, যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গেও ভারতের একটা আত্মীয়তার সম্পর্ক আছে। কামালা হারিসের মা দক্ষিণ ভারতের চেন্নাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সংসার পেতেছিলেন। আর বাইডেনের খুব দূর সম্পর্কের কিছু আত্মীয় ১৮৭১ সাল থেকে মহারাষ্ট্রের নাগপুর শহরে বসবাস করছেন। একথা বাইডেন ২০১৩ সালে মুম্বাইয়ে একটা সফরে এসে উল্লেখ করেছিলেন। তাঁর সঙ্গে নাগপুরের জনৈক লেসলি বাইডেনের চিঠি চালাচালিও হয়েছিল। ২০১৫ সালে আবার ওয়াশিংটনে জো বাইডেন বলেন, তাঁর একজন তস্য তস্য তস্য প্রপিতামহ জর্জ বাইডেন ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিতে কাজ করতেন। অবসর গ্রহণের পর তিনি একজন ভারতীয় মহিলাকে বিয়ে করে ভারতেই থেকে গিয়েছিলেন। তাঁদের সন্তান সন্ততি ও বংশধরেরা এখনও ভারতে রয়েছেন। অনেকেই রয়েছেন নাগপুরে, কেউ কেউ মুম্বাইয়ে। নাগপুরের লেসলি বাইডেন ১৯৮১ সালের এপ্রিল মাসে জো বাইডেনকে চিঠিতে তাঁদের সম্পর্কের কথা জানিয়েছিলেন। বাইডেন সেটির উত্তর দিয়েছিলেন। ওঁরা এই নিয়ে আরও কথাবার্তা বলবেন ঠিক ছিল, কিন্তু লেসলি মারা যাওয়ায় সেটা আর হয়ে ওঠেনি‌। লেসলির নাতনি সোনিয়া জানান, জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় বাইডেন হিসেবে তাঁরা প্রত্যেকেই খুব গর্বিত। জানুয়ারি মাসে প্রেসিডেন্টের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ওয়াশিংটনে যাবেন কিনা জানতে চাইলে সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে সোনিয়া বলেন, আমরা অবশ্যই ওঁর শুভানুধ্যায়ী, ওঁকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। কিন্তু আমাদের বহু আত্মীয় নাগপুর ছাড়াও মুম্বাইয়ে, যুক্তরাষ্ট্রে, নিউজিল্যান্ড আর অস্ট্রেলিয়ায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন। কাজেই যাওয়া হয়তো হবে না, তবে শুভেচ্ছা অবশ্যই থাকবে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:01:46 0:00
সরাসরি লিংক


XS
SM
MD
LG