অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশের প্রয়াত কূটনীতিক সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীকে ‘পদ্মবিভূষণ’ উপাধি দেয়া হলো


ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনের দরবার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মরহুম আলীর স্ত্রী তুহফা জামান আলী রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এর কাছ থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন। (ছবি- নঈম নিজাম)

বাংলাদেশের প্রাক্তন হাইকমিশনার প্রয়াত সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীকে সোমবার ‘পদ্মবিভূষণ’ উপাধিতে সম্মানিত করেছেন ভারতের রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। রাষ্ট্রপতি ভবনের দরবার হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মরহুম আলীর স্ত্রী তুহফা জামান আলী এ পুরস্কার গ্রহণ করেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনুষ্ঠানের পর চা-চক্রের সময় বেগম আলীর কাছে প্রয়াত হাইকমিশনারের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নত করার ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সোনালি অধ্যায় সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান সব সময় মনে রাখবো। সেই সম্পর্কের পথেই আমরা উভয় দেশের সম্পর্ক উন্নত শিখরে নিয়ে যেতে চাই।’

দিল্লি থেকে সাংবাদিক গৌতম লাহোড়ি জানান, এই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর শ্রদ্ধার সঙ্গে সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলীকে স্মরণ করেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মি. আলী ছিলেন আমার ব্যক্তিগত বন্ধু। উভয় দেশের সম্পর্ক উন্নত করার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর বিদায় অনুষ্ঠানে আমি নিজে গিয়েছিলাম।’ পুরস্কার গ্রহণের পর বেগম তুহফা জামান আলী বলেন, ‘আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। মোয়াজ্জেম তাঁর অবদানের স্বীকৃতি পেলেন। আমি এই অনুষ্ঠানের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। আরও ভালো হতো যদি উনি নিজে হাতে পুরস্কার গ্রহণ করতে পারতেন।’ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান উপস্থিত ছিলেন। মোয়াজ্জেম আলী ২০১৪ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত হাইকমিশনার ছিলেন দিল্লিতে।

অনুষ্ঠানে ভারতের উপ-রাষ্ট্রপতি বেংকাইয়া নাইডু এবং অমিত শাহসহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। এ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রয়াত প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্জ ফার্নান্দেজ, অরুণ জেটলি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজকে মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ দেওয়া হয়।২০২০ সালের ১১৯ জনকে ‘পদ্মশ্রী’ দেওয়া হয়। বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত পুরস্কার পেয়েছেন।

XS
SM
MD
LG