ওয়াশিংটনের শান্তির দূত জানিয়েছেন যে, শুক্রবার কাতার এয়ারওয়েজ ‘এরএকটি ফ্লাইট আফগানিস্তান থেকে আরো আমেরিকানদের সরিয়ে নিয়েছেI তালিবানের ক্ষমতা গ্রহণের এবং উদ্বেগের মধ্যে সে দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সৈন্য প্রত্যাহারের পর, এটি ছিল মধ্যপ্রাচ্চ্যের যাত্রীবাহী বিমানের এ ধরণের তৃতীয় ফ্লাইট I
যুক্তরাষ্ট্রের দূত, জালমে খলিলজাদ টুইট বার্তায় জানান, তিনি “কৃতজ্ঞ বোধ করছেন যে আরো আমেরিকান কাতার ফ্লাইটে দেশ ছাড়তে সমর্থ হয়েছেন”।তবে কতজন আমেরিকান ওই ফ্লাইটে ছিলেন সে সম্পর্কে তাত্ক্ষণিক ভাবে কোন তথ্য পাওয়া যায়নি।
একজন আফগান কর্মকর্তার মতে ফ্লাইটে ১৫০ জনের বেশি যাত্রী ছিলেন, তবে এর মধ্যে কয়জন আমেরিকান ছিলেন তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায় নিIশনিবার যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, ২৮ জন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এবং ৭ জন বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা ওই ফ্লাইটে রওয়ানা হন।
গত সপ্তাহে ৩০০'র বেশি বিদেশী নাগরিক, যুক্তরাষ্ট্রের গ্রীন কার্ডধারী এবং বিশেষ ভিসাধারীআফগান জনগণ আফগানিস্তান ত্যাগ করতে সমর্থ হনI সংবাদ মাধ্যমের কাছে কথা বলার অনুমতি না থাকায়, কর্মকর্তা তাঁর পরিচয় গোপন রেখে কথা বলেন।
তিনি জানান, কাতার এয়ারওয়েজ'র একটি ফ্লাইটসহ আরো কয়েকটি ফ্লাইট শনিবার যাত্রী বহন করবে বলে আশা করা হচ্ছে I আরো কতজন আমেরিকান নাগরিক সেখানে রয়ে গেছেন তা এখনো স্পষ্ট নয়, তবে বিশেষ দূত খলিলজাদ টুইটার মারফত জানান, "তারা যদি স্বদেশে ফিরে আসতে চান, তবে তাদের সরিয়ে আনতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ "I
যুক্তরাষ্ট্র পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র, জালিনা পোর্টার শনিবার বিমানটির কাবুল ত্যাগ করার কথা নিশ্চিত করেন এবং সাংবাদিকদের জানান কর্মকর্তারা এটা জানার চেষ্টা করেছেন যে কাতারের রাজধানী দোহাগামি ঐ ফ্লাইটে কয়জন আমেরিকান, গ্রীন কার্ড ধারী কিংবা বিশেষ অভিবাসন ভিসাধারী আফগান ছিলেন।