অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশ ফের ডিপথেরিয়া রোগের ঝুঁকিতে। ৩৫ বছর আগে ১৯৮৩ সালে একবার রোগটি শনাক্ত হয়েছিল। এরপর সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি চালু হওয়ায় রোগটি উধাও হয়ে গিয়েছিল। ছোঁয়াচে প্রকৃতির এই রোগ এই মুহূর্তে কক্সবাজার এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রোহিঙ্গাদের মাধ্যমে এই রোগটি ফিরে এসেছে। হাম, যক্ষ্মা কিংবা ডিপথেরিয়ার মতো সংক্রামক ব্যাধির টিকা রোহিঙ্গারা নেয়নি বা পায়নি।

বিশ্ব স্বাস্থা সংস্থার খবরে বলা হয়, এ পর্যন্ত এ রোগে ৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরা সবাই মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গা। স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৬৯ জন ইতোমধ্যেই আক্রান্ত হয়েছে। রোগ তত্ত্ব ও রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান এই প্রতিনিধিকে বলেন, "বাংলাদেশে এই রোগ নির্মূল হয়ে গিয়েছিল। এখন যে খবর পাচ্ছি তাতে মনে হয় রোহিঙ্গারা মিয়ানমার থেকে নিয়ে এসেছে"।
কক্সবাজারের সিভিল সার্জন আব্দুস সালাম বলেছেন, টিকা দেয়ার পর রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে ডিপথেরিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। এখন রোহিঙ্গারা নিয়মিতভাবে টিকা নিচ্ছেন বলে জানান তিনি। বিশ্বব্যাপী ডিপথেরিয়ার প্রাদুর্ভাব তেমন নেই। ইয়েমেন, ভেনিজুয়েলা, ইন্দোনেশিয়া ও হাইতিতে এ রোগের প্রাদুর্ভাব রয়েছে। বাংলাদেশে গত মাস পর্যন্ত ৭ হাজার ৮৮৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন এমন তথ্য রয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, দীর্ঘদিন বাংলাদেশে এই রোগের লক্ষণ ছিল না। এ কারণে এই রোগের ভ্যাকসিন ছিল না তাদের হাতে। এখন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে ভ্যাকসিনের আওতায় আনা হয়েছে।

please wait

No media source currently available

0:00 0:00:55 0:00

XS
SM
MD
LG