অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

মিয়ানমারে, 'মাসের পর মাস' ধরে সাংবাদিকতা আরও কঠিন হয়ে উঠছে

সাংবাদিক ও কর্মীরা মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে আদালত থেকে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে বহনকারী পুলিশ গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করছে৷ আদালত সোমবার রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সরকারী নথিপত্র বেআইনিভাবে দখলের জন্য সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০১৮
সাংবাদিক ও কর্মীরা মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনে আদালত থেকে রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে বহনকারী পুলিশ গাড়িটিকে আটকানোর চেষ্টা করছে৷ আদালত সোমবার রয়টার্সের দুই সাংবাদিককে সরকারী নথিপত্র বেআইনিভাবে দখলের জন্য সাত বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছে। ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০১৮

মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানের প্রায় ১০ মাস পর, দেশটির সংবাদ মাধ্যমগুলো জান্তার গ্রেপ্তার এবং হয়রানির শিকার হওয়া সত্ত্বেও, রিপোর্টিং চালিয়ে যাওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে।

হাজার হাজার বিক্ষোভকারী ক্ষমতাচ্যুত রাজনীতিবিদ, কর্মী, ধর্মীয় নেতাসহ আরও অনেকেই এখন পর্যন্ত সামরিক শাসন মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে । ফলে, জান্তা এবং স্থানীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে।

কিন্তু স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলি প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে, সেই বিরোধিতার খবর দেয়ার চেষ্টা করছে।

এর আগে জান্তা পাঁচটি গণমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিল করে দেয়। ইংরেজি ভাষার নিউজ আউটলেট ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমার’এর প্রধান সম্পাদক টমাস কিন বলেছেন, তাদের ওই সিদ্ধান্ত মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিকে "নাড়িয়ে দিয়েছিল"।

কিন বলছেন, “তারপর থেকে, আরও সাংবাদিককে নিষিদ্ধ ও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ফলে মাসের পর মাস ধরে সাংবাদিকতা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে”।

তার নিজের প্রতিষ্ঠানের একজন-আমেরিকান সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টার-কে প্রায় ছয় মাসের জন্য জেলে পুরে রাখা হয়েছিল।

লাইসেন্স প্রত্যাহার এবং গ্রেপ্তারের পাশাপাশি, সামরিক বাহিনী ইন্টারনেটে অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেয় এবং কারাদণ্ডের অনুমতি দেওয়ার জন্য টেলিযোগাযোগ আইন সংশোধন করে।

জান্তা বলছে, তারা স্থিতিশীলতা আনতে কাজ করছে। সামরিক মুখপাত্র জাও মিন তুন এর আগে বলেছেন, সামরিক বাহিনী "সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে সম্মান করে" এবং শুধুমাত্র অস্থিরতা সৃষ্টিকারী সাংবাদিকদেরই তারা গ্রেপ্তার করছে।

This item is part of
XS
SM
MD
LG