অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

মে মাস থেকে আটক আমেরিকান সাংবাদিককে মুক্তি দিয়েছে মিয়ানমার


রিচার্ডসন সেন্টারের দেওয়া এই ছবিতে, জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত বিল রিচার্ডসন, (ডানদিকে) মিয়ানমারের নাইপিটাওতে সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারের সাথে পোজ দিচ্ছেন। সোমবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২১।

মিয়ানমারের ক্ষমতাসীন সামরিক জান্তার দায়ের করা অভিযোগে, একটি আদালত ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়ার কয়েকদিন পর, আমেরিকান সাংবাদিক ড্যানি ফেনস্টারকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

ইয়াঙ্গুন-ভিত্তিক অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন ফ্রন্টিয়ার মিয়ানমারের প্রকাশক সনি সোয়ে বিশদ বিবরণে না গিয়ে সোমবার ফেনস্টারের মুক্তির ঘোষণা দিয়ে একটি টুইটে বলেছেন, “দারুণ খবর”। ফেনস্টার ওই অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিনে ম্যানেজিং এডিটর হিসেবে কাজ করছিলেন।

ম্যাগাজিনটি টুইটারে বলেছে, “মিয়ানমারের অনেক সাংবাদিকদের মধ্যে ড্যানি একজন, যিনি ফেব্রুয়ারির অভ্যুত্থানের পর পেশাগত দায়িত্ব পালন করার সময় অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার হয়েছেন”। “মিয়ানমারে কারাগারে রয়ে যাওয়া অন্যান্য সাংবাদিকদের মুক্তি দেওয়ার জন্যও আমরা সামরিক শাসকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি”।

জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত বিল রিচার্ডসন বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে বলেছেন, ফেনস্টারকে তার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং শীঘ্রই তিনি কাতার হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যাবেন।

এপি-তে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে রিচার্ডসন বলেছেন, “ড্যানি অবশেষে তার প্রিয়জনদের কাছে পুনরায় ফিরে যেতে পারবেন। যারা চরম প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে তার পক্ষে ওকালতি করেছেন, তাঁদের প্রতি আমরা অশেষ কৃতজ্ঞ”।

২৪ মে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্যে একটি ফ্লাইটে উঠার কিছুক্ষণ আগে ইয়াঙ্গুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ফেনস্টারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বেআইনিভাবে মেলামেশা, সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানি দেয়া এবং ভিসার নিয়ম লঙ্ঘনের অভিযোগে, গত শুক্রবার তাকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ফেনস্টারকে সন্ত্রাসবাদ এবং রাষ্ট্রদ্রোহের দু’টি অতিরিক্ত অভিযোগেরও মুখোমুখি করা হয়েছিল, যা তার বিরুদ্ধে কয়েকদিন আগে দায়ের করা হয়। এর ফলে তাকে আরও অতিরিক্ত ৩০ বছর কারাবাসে থাকতে হতো।

XS
SM
MD
LG