অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

নরসিংদীতে আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুইজন নিহত


নরসিংদীর রায়পুরার কাচারিকান্দি গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহতের স্বজনদের আহাজারী - ফটো- বাংলাদেশ প্রতিদিন

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের আধিপত্য বিস্তারকে ঘিরে নরসিংদীর রায়পুরার কাচারিকান্দি গ্রামে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের ব্যাপক সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ২ জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন কাচারিকান্দি গ্রামের মারফত আলীর ছেলে সাদির মিয়া (২২) ও আসাদ মিয়ার ছেলে হিরন (৩৫)। আহত হয়েছে আরও ৩০ জন। আহতদের রায়পুরাসহ নরসিংদীর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

জানা যায়, আগামী ১১ নভেম্বর রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হবে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা’র মনোনয়ন পেয়েছেন ফেরদৌস কামাল জুয়েল। তফসিল ও মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই এলাকায় ছোট শাহ আলম তার পক্ষ হয়ে নৌকার প্রচারণা শুরু করেন। এতে ক্ষিপ্ত হন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী মানসুর রহমান মাসু । তিনি এলাকায় শক্তি বাড়াতে মাসু হত্যা মামলার আসামি বড় শাহ আলম মেম্বার ও তাদের সমর্থকদের গ্রামে ফিরিয়ে আনেন। আজ ভোরে বড় শাহ আলম মেম্বার ও তাদের সমর্থকরা অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ছোট শাহ আলম ও তাদের সমর্থকদের ওপর হামলা চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ২ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হন।

গালে ও হাতে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত শামসুনাহার বলেন, ‘হঠাৎ সকালে বিকট শব্দ। ঘর থেকে বের হতেই দেখি বড় শাহ আলম মেম্বারের লোকজন আমাদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি করছে। এ সময় আমর মুখে ও শরীরে গুলি লাগে।’ নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) সাহেব আলী পাঠান বলেন, দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর বড় শাহ আলম মেম্বার ও তার সমর্থকরা ভোরে গ্রামে ফিরে আসে এবং প্রতিপক্ষের উপর হামলা চালায়। এতে ছোট শাহ আলম পক্ষের দুইজন নিহত হন। বেশ কয়েকজন আহতও হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এখন পরিবেশ শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

XS
SM
MD
LG