অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

মিয়ান্মারে রয়টার সাংবাদিকের মুক্তির আপিল খারিজ


মিয়ান্মারে রয়টারের দু জন সংবাদদাতা তাদের দোষী সাব্যস্ত হওয়া এবং সাত বছরের কারাদন্ডের বিরুদ্ধে যে আপিল করেছিলেন , তাতে আজ আদালতের রায়ে তাঁরা হেরে গেছেন।

ওয়া লোন এবং কিউঅ সো ঊ নামের এই দু জন সংবাদদাতাকে মিয়ান্মারের সরকারি নিরাপত্তা আইন লংঘনের অভিযোগে ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে গ্রেপ্তার করা হয়।

যে বিচারক তাঁদের এই শাস্তি বহাল রেখেছেন , তিনি বলছেন যে ঐ সাংবাদিকদের আইনজীবিরা তাঁদের নির্দোষ প্রমাণের জন্য পর্যাপ্ত প্রমাণ দাখিল করেননি। হাইকোর্টের বিচারক অং নাইয়েং এই শাস্তি সম্পর্কে বলেছেন যে এই শাস্তি যথার্থ।

সাংবাদিকরা অবশ্য বলছেন যে পুলিশ পরিকল্পিত ভাবে তাদের গ্রেপ্তার করেছে যার লক্ষ্য ছিল সেখানে রোহিঙ্গাদের হত্যা সম্পর্কে খবর প্রকাশ বাধাগ্রস্ত করা।

রয়টারের প্রধান সম্পাদক স্টিভেন এডলার এক বিবৃতিতে বলেন যে এই দু জনকে গরাদের পেছনে আচক রাখার এক মাত্র কারণ হচ্ছে

সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া। অ্যাডলার বলেন রিপোর্টিং কোন অপরাধ হতে পারে না এবং মিয়ান্মার এই মারাত্মক ভুল সংশোধন না করা পর্যন্ত মিয়ান্মারের সংবাদপত্র স্বাধীন থাকছে না এবং আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতি মিয়ান্মারের প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে সন্দেহ রয়েছে।

ব্রিটেনের পররাষ্ট্র মন্ত্রী জেরেমি হান্ট বলেছেন যে মিয়ান্মারের নেতার উচিৎ হবে এ ব্যাপারে ব্যক্তিগত ভাবে হস্তক্ষেপ করা এবং এটা বোঝা যে যথার্থ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছে কীনা।

মিয়ান্মারে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দূত Kristian Schmidt ও আজ বলেছেন যে আজকের এই রায়, সুবিচারের অপব্যবহার এবং এর ফলে মিয়ান্মারের বিচার ব্যবস্থার স্বাধীনতা সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ রয়েছে।

জাতিসংঘ এরই মধ্যে রোহিঙ্গাদের উপর মিয়ান্মারের নির্মম সামরিক অভিযানকে জাতিগোষ্ঠিগত পরিশুদ্ধি অভিযান বলে অভিহিত করেছে।

XS
SM
MD
LG