মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ অব্যাহত আছে। এরই অংশ হিসেবে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে বাংলাদেশে আসার পথে ধারণ ক্ষমতার বেশি রোহিঙ্গা বোঝাই একটি নৌকা মঙ্গলবার সকালে বঙ্গোপাসাগরে ডুবে গেলে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৫টি শিশু, একজন নারীসহ ৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মানবিক সাহায্য প্রদানকারী সংস্থার কর্মীরা জানাচ্ছেন, ২৫ আগস্ট থেকে এই পর্যন্ত কমপক্ষে ৩০০জন রোহিঙ্গা বঙ্গোপাসাগরে এবং নাফ নদীতে ডুবে মারা গেছেন। এদিকে, মিয়ানমারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বরাতে মঙ্গলবার ওই দেশটির প্রভাবশালী সংবাদপত্র ’ইরাবতি’ বলছে, বার্মা সরকার বাংলাদেশে আশ্রয় প্রার্থী রোহিঙ্গাদের প্রতিদিন ৩০০জন করে বার্মায় ফেরত নিতে প্রস্তুত রয়েছে। সংবাদপত্রটি ওই দেশের বর্হি:গমন বিভাগের প্রধান ইউ মিয়ান্ত খিয়াংকে উদ্ধৃত করে বলেছে, ১৯৯৩ সালের বাংলাদেশ-মিয়ানমারের মধ্যকার চুক্তি মোতাবেক বৈধ কাগজপত্রসহ যেসব রোহিঙ্গা ওই দেশে স্বেচ্ছায় ফেরত যেতে চায় তাদের ওই দেশের সরকার ৪টি চেকপোস্ট দিয়ে ফেরত নিতে রাজি আছে। প্রতিদিন তিনশজন ফেরত নেয়া হলে বাংলাদেশে আশ্রয় গ্রহণকারী ৯ লাখ রোহিঙ্গাকে নিজ দেশে ফেরত নিতে কমপক্ষে সাড়ে ৮ বছর সময় লাগবে বলে বিশ্লেষকরা বলছেন। ঢাকা-মিয়ানমারের দেয়া ১৯৯৩ সালের চুক্তি ভিত্তিক প্রস্তাব আগেই নাকচ করে দিয়েছে।
ঢাকা থেকে বিস্তারিত জানিয়েছেন আমীর খসরু।
রোহিঙ্গা বোঝাই নৌকাডুবি, ৭ জনের মৃতদেহ উদ্ধার