অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

করোনার  দ্বিতীয় ডোজের টিকাদান কর্মসূচির শুরু হলো বাংলাদেশে  


করোনার দ্বিতীয় ডোজের টিকা প্রদান শুরু হবার পর এক ব্যক্তিকে টিকা দিচ্ছেন নার্স।

সমগ্র বাংলাদেশেব্যাপি উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে করোনা ভাইরাসের গণ টিকাদান কর্মসূচির দ্বিতীয় পর্ব।

গত আগস্ট মাসের ৭ থেকে ১২ তারিখ পর্যন্ত চলা গণ টিকাদান কর্মসূচির আওতার প্রথম পর্বে যারা প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণ করেছিলেন তাঁরা আজ থেকে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নেয়া শুরু করেছেন। গণ টিকাদান কর্মসূচীর দ্বিতীয় পর্ব আগামী ১২ ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

করোনা টিকা কার্যক্রম ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. শামসুল হক সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত টিকাদান কর্মসূচি চলবে। ডা. শামসুল হক আরও বলেন টিকাদান কর্মসূচী চলাকালে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত প্রথম দুই ঘণ্টা বয়স্ক, নারী ও প্রতিবন্ধীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয় টিকাদানে গতি আনতে গত ৭ ই অগাস্ট দেশজুড়ে যে ৬ দিনের গণটিকাদান অভিযান চলেছিল তাতে ৫০ লাখ ৭১ হাজার মানুষ টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন।

রাজধানী ঢাকা এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া খবরে জানা গেছে আগস্টের শুরুতে দেশজুড়ে গণ টিকাদান অভিযানের সময় প্রথম ডোজ টিকা নিতে যেমন ভিড় দেখা গিয়েছিল তেমন উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়েই দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিতে মানুষ আজ টিকা কেন্দ্রে এসেছিলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেয়ার জন্য নির্ধারিত আগামী ৫ দিনও মানুষ একই উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে টিকা কেন্দ্রে আসবেন।

এদিকে, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কিছুটা কমতে থাকায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে সরকারে নেয়ে সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানালেও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কিছু পরামর্শ দিয়েছে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। কারিগরি কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগেই সব শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মচারিদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে তাদের সব ধরনের ঝুঁকি কমানোর যথাযথ ব্যবস্থা করতে হবে।

কমিটি যে নয়টি সুপারিশ করেছে তার মধ্যে রয়েছে সকল স্কুল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সবার মাস্ক পরা নিশ্চিত করা, স্কুল এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৮০ শতাংশ শিক্ষক এবং কর্মচারির করোনার টিকা নেয়া থাকতে হবে ও উচ্চতর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১৮ বছরের অধিক বয়সী শিক্ষার্থীদের দ্রুত টিকা নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।

এ দিকে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫৬ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ২৬৩৯ জন।

XS
SM
MD
LG