অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট: উত্তর কোরিয়া বিনা শর্তে আলোচনায় সম্মত


দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জায় ইন আজ বলেছেন উত্তর কোরিয়া তাঁর সঙ্গে আসন্ন সংলাপে এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকের সময়ে কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্র মুক্ত রাখার বিষয়ে কোন রকম শর্ত আরোপ করেনি। তিনি আজ সোওলে কর্পোরেট নির্বাহীদের এক সম্মেলনে বলেন যে তারা এমন কোন শর্ত আরোপ করেনি যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছ গ্রহণযোগ্য হতো না , যেমন দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আমেরিকান সৈন্য প্রত্যাহার। তিনি বলেন তারা যা বলছে তা হলো উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে বৈরি কর্মকান্ড বন্ধ করা এবং নিরাপত্তার নিশ্চয়তা প্রদান করা। তিনি আরও বলেন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে সফল সংলাপ কেবল মাত্র আগামি সপ্তায় তাঁর এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং ঊনের মধ্যকার শীর্ষ বৈঠকের উপরই নির্ভর করছে না, নির্ভর করছে কিম এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পরিকল্পিত বৈঠকের উপরও। তিনি বলেন ২৭শে এপ্রিল তারিখে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং ঊনের সঙ্গে তাঁর শীর্ষ বৈঠকের পর এবং উত্তর কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ সম্মেলনের পরও দু দেশের মধ্যে সংলাপ অব্যাহত রাখা দরকার।মুন বলেন তিনি পরমাণু মুক্ত উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তি চুক্তি এবং দেশটির অর্থনীতিতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন। তাঁর এই মন্তব্যের ঠিক আগে ট্রাম্প পরমাণু মুক্ত উত্তর কোরিয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে আশাবাদ ব্যক্ত করেছিলেন।তিনি বলেন তাঁর সিআইএ পরিচালক মাইক পম্পেও’র সঙ্গে পিয়ংইয়ং এ উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং ঊনের গোপন বৈঠক ভাল ভাবেই সম্পন্ন হয়েছে।তিনি ফ্লোরিডায় তাঁর অবকাশ যাপন ভবনে সংবাদদাতাদের আরও বলেন উত্তরকোরিয়া যদি সম্পুর্ণ , যাচাইযোগ্য এবং অপরিবর্তনীয় ভাবে পরমাণু মুক্ত হয় , তা হলে উত্তর কোরিয়ার সামনে উজ্জ্বল পথ রয়েছে। আমরা সেই দিন দেখার আশায় রয়েছি যখন গোটা কোরিয় উপদ্বীপ , নিরাপত্তা , সমৃদ্ধি ও শান্তিতে একত্রে অবস্থান করতে পারবে। তবে তিনি হুশিয়ার করে দেন যে কিমের সঙ্গে তাঁর আলোচনা তেমন ভাবে না এগোয় , যেমনটি তিনি আশা করছেন , তা হলে তিনি সরে আসবেন।তিনি আরও বলেন যে পিয়ংইয়ং এ আটক তিন জন আমেরিকান নাগরিকের মুক্তির জন্য আলাপ আলোচনা চলছে।

দৌমা শহরে জাতিসংঘের নিরাপত্তা দল আক্রান্ত

জাতিসংঘের নিরাপত্তা দলটি সিরিয়ার দৌমা শহরে তথ্য অনুসন্ধানী কাজ শুরু করার প্রচেষ্টায় যখন রাসায়নিক অস্ত্র পরিদর্শকদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন তখন তারা হাল্কা অস্ত্র আক্রমণের সম্মুখীন হন এবং একটি বিস্ফোরকও সেখানে ফাটানো হয়।Organization for the Prohibition of Chemical Weapons এর প্রধান আহমেদ উসুমচু জানান যে সাইট নম্বর এক এ পৌঁছুনোর পর সেখানে প্রচুর লোক সমবেত হন এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বিভাগের পরামর্শ ছিল যে এই অনুসন্ধানী দলটি যেন ফিরে আসে। দু নম্বর সাইটে এই দলটির উপর হাল্কা অস্ত্র দিয়ে হামলা করা হয় এবং বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। তিনি বলেন এই ঘটনা মঙ্গলবার ঘটে এবং অনুসন্ধানী দলটি দামেস্কে ফিরে যায়।

ভয়েস অফ আমেরিকাকে জাতিসংঘের একটি সুত্র জানায় যে জাতিসংঘের ঐ নিরাপত্তা দলের কোন সদস্যই ঐ ঘটনায় আহত হননি। সংগঠনটির প্রধান বলেন এখন আমরা জানিনা এই তথ্য অনুসন্ধানী দলটিকে দোমায় কোথায় মোতায়েন করা হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী জিম ম্যাটিস বলেন যে বিলম্বের কারণে প্রমাণ নষ্ট করে দেওয়া হতে পারে।

XS
SM
MD
LG