আজ মঙ্গলবার দক্ষিন আফ্রিকার সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তী নেতা নেলসান মান্ডেলার স্মরণে জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হলো ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষের উপস্থিতিতে বিশাল এক স্মরণ সভা । মুষলধার বৃষ্টির মাঝেও মানুষ নেচে-গেয়ে-কেঁদে-হেসে স্মরণ করলো তাদের প্রাণপ্রিয় মাদিবাকে , দক্ষিন আফ্রিকার তাতাকে, উপযাতিয় ঝোসা ভাষায় যাকে বলে দুষ্টু ছেলে সেই রোলিহলালাকে । বর্ণবৈষম্যের অবসান ও দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণভিত্তিক বিভাজন কাটিয়ে ওঠায় তাঁর অসামান্য অবদান নিয়ে তাঁর প্রতি সাধুবাদ জানান উপস্থিত সবাই ।দক্ষিন আফ্রিকা হারালো এক হিরোকে,জনককে-বিশ্ব হারালো তার বন্ধূকে, বিজ্ঞ এক পরামর্শদাতাকে – বলেন জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন ।
যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন – কিছু একটা সমাধা না হওয়া অব্দি সব কিছুই অসম্ভব মনে হয় সব সময়ই, মান্ডেলার স্মরণে কথাটা মনে পড়ে যায় । দক্ষিন আফ্রিকাও এটা প্রমান করে দেখিয়েছে ।
নেলসান মান্ডেলা দক্ষিন আফ্রিকার প্রথম কৃষ্নাঙ্গ প্রেসিডেণ্ট-প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন ১৯ শ’ ৯৪ সালে । তার আগে সংখ্যালঘূ শ্বেতাঙ্গ শাষকদের বিরূদ্ধে বর্ণবৈষম্য বিরোধী সংগ্রাম করে তাঁকে কারাবাসে থাকতে হয়েছিলো দীর্ঘ ২৭টি বছর ।
যুক্তরাষ্ট্র প্রেসিডেন্ট ওবামা বলেন – কিছু একটা সমাধা না হওয়া অব্দি সব কিছুই অসম্ভব মনে হয় সব সময়ই, মান্ডেলার স্মরণে কথাটা মনে পড়ে যায় । দক্ষিন আফ্রিকাও এটা প্রমান করে দেখিয়েছে ।
নেলসান মান্ডেলা দক্ষিন আফ্রিকার প্রথম কৃষ্নাঙ্গ প্রেসিডেণ্ট-প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত হয়েছিলেন ১৯ শ’ ৯৪ সালে । তার আগে সংখ্যালঘূ শ্বেতাঙ্গ শাষকদের বিরূদ্ধে বর্ণবৈষম্য বিরোধী সংগ্রাম করে তাঁকে কারাবাসে থাকতে হয়েছিলো দীর্ঘ ২৭টি বছর ।