অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

মিয়ানমারের রাজনৈতিক সংকট মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এগিয়ে আসার আহ্বান জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব


জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখছেন। ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১।
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৬তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখছেন। ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১।

বুধবার প্রকাশিত জাতিসংঘের নতুন প্রতিবেদনে মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস মিয়ানমারে পহেলা ফেব্রুয়ারি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সৃষ্ট রাজনৈতিক সংকটের জন্য ‘জরুরি’ আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

"মিয়ানমারে রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকারের পরিস্থিতি" সংক্রান্ত নথিতে জাতিসংঘ প্রধান আরও বলেন, তিনি আশঙ্কা করেছিলেন যে সেনাবাহিনীর ক্ষমতা দখল মোকাবেলা করা কঠিন হয়ে পড়বে।

১লা আগস্ট এর নথিতে তিনি বলেন,"মিয়ানমারকে গণতান্ত্রিক সংস্কারের পথে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করার জন্য আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ভাবে এতে সমন্বিত সাড়া দেওয়া জরুরি।"

এই নথি প্রকাশনায় দীর্ঘ বিলম্বের জন্য জাতিসংঘ কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি।

১১৯টি দেশ এই লেখার অনুমোদন দিয়েছে। চীনসহ ৩৬টি দেশ অনুমোদন দেয়া থেকে বিরত ছিল এবং একটি দেশ, বেলারুশ, বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল।

গুতেরেস তার প্রতিবেদনে বলেছেন, "আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার সাথে অবশ্যই প্রেসিডেন্ট উইন মিন্ট, স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চি এবং অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তাদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে হবে।"

তিনি আরো বলেন, "অবিলম্বে মানবিক বিষয়ে , বিশেষত যারা ঝুঁকির মুখে রয়েছে তাদের নাগালে যেতে হবে এবং সহায়তা প্রদান করতে হবে, যার মধ্যে রয়েছে রোহিঙ্গা মুসলমানরা, যারা অনেকেই বাংলাদেশে এবং অন্যত্র নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন।"

গুতেরেস বলেন,"সামরিক বাহিনীকে তার শাসনকে আটকাতে বাধা দেওয়ার সুযোগ সংকুচিত হতে পারে" এবং মিয়ানমারের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করা গুরুত্বপূর্ণ।

১লা ফেব্রুয়ারি অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমার অস্থিতিশীল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে।

অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাসোসিয়েশন ফর পলিটিক্যাল প্রিজনার্স (এএপিপি) অনুসারে, সামরিক বাহিনী বিরোধীদের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত অভিযান শুরু করেছে। এতে ১১০০ এরও বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং ৮,৪০০ জন বন্দী রয়েছে।

XS
SM
MD
LG