অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইরানের জেনারেল কাসেম সোলেমানি নিহতঃ উভয়ের পক্ষকে সংযম ও পালটা প্রতিশোধ না নেওয়ার আহ্বান


বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের এলিট কুদস ফোর্সের জেনারেল কাসেম সোলেমানি নিহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার সকালে ঐ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা নির্দেশ দেন। ঐ আক্রমণের কিছুক্ষণ পরেই পেন্টাগন এক বিবৃতিতে জানিয়েছে যে প্রেসিডেন্ট“ ইরানের ভবিষ্যৎ হামলার পরিকল্পনা নস্যাৎ” করার লক্ষ্যেই ঐ আক্রমণ চালানোর নির্দেশ দেন। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে আমেরিকান এবং কোয়ালিশন বাহিনীর শত শত সেনার মৃত্যু এবং হাজার হাজার সেনার আহত হওয়ার জন্যজেনারেল কাসেম সোলেমানি এবং তার কুদস বাহিনী দায়ী।

পেন্টাগন ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ সম্পর্কে আর বিশেষ কিছু বলেনি। পাল্টা প্রতিশোধের হুমকি দিয়েছেন ইরানের বিপ্লবী গার্ডস বাহিনীর সাবেক কমান্ডার মোহসেন রেজাই।

হামলার প্রতিক্রিয়াঃ

ইরাকের বাগদাদ বিমানবন্দরে বিমান হামলায় ইরানের এলিট বাহিনী কুদস ফোর্সের নেতার হত্যার প্রতিক্রিয়ায় উভয় পক্ষের প্রতি সংযম ও পালটা প্রতিশোধ না নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

ইরানের পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মদ জাভাদ জারিফ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি হত্যাকে "রাষ্ট্রের প্রতি সন্ত্রাসবাদ এবং ইরাকের সার্বভৌমত্বের প্রতি লঙ্ঘন" বলে অভিহিত করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দফতর সোলাইমানিরহত্যা সমর্থন করে বলা হয়েছে, "ইরাকে এবং ঐ অঞ্চলে জুড়ে আমেরিকান কূটনীতিক এবং সামরিক সদস্যদের উপরে বিমান হামলা চালিয়েছে। জেনারেল ছিলেন ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমর কৌশলবিদ।
ইরানের রাষ্ট্রপতি হাসান রুহানি এক বিবৃতিতে বলেছেন, "সোলায়মানি শহীদ হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি বলেছিলেন যে কংগ্রেসের "পরামর্শ ছাড়াই" ঐ আক্রমণ চালানো হয়েছিল এবং "এতে সহিংসতা মারাত্মক ভাবে আরও বাড়ার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ উস্কানি।" তিনি বলেছিলেন, "আমেরিকা এবং বিশ্ব উত্তেজনা এমন পর্যায়ে বাড়িয়ে তুলতে পারে না যেখান থেকে আর ফেরার উপায় থাকবে না।" আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে এর মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।


মন্তব্যগুলো দেখুন

XS
SM
MD
LG