অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

চীনের বিরুদ্ধে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি


যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন ফিলিপিন্সের ম্যানিলায় সামরিক বাহিনীর গার্ড অফ অনার গ্রহণ করছেন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন প্রতিদ্বন্দ্বি শক্তি চীনকে নিয়ন্ত্রণের জন্য একাধিক এশীয় দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবার উপায় খুঁজছে। ঐ অঞ্চলে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সফরের পর বিশ্লেষকরা এমন মন্তব্য করেছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন প্রতিদ্বন্দ্বি শক্তি চীনকে নিয়ন্ত্রণের জন্য একাধিক এশীয় দেশের সঙ্গে সম্পৃক্ত হবার উপায় খুঁজছে। ঐ অঞ্চলে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী লয়েড অস্টিনের সফরের পর বিশ্লেষকরা এমন মন্তব্য করেছেন।

গত মঙ্গলবার সিঙ্গাপুরে তাঁর ভাষণে অস্টিন “সমন্বিত প্রতিরোধের” দ্বারা দক্ষিণ পুর্ব এশিয়ায় চীনের সামরিক কর্মকান্ড কমিয়ে আনার কথা বলেছেন। এক সপ্তাহব্যাপী এই সফরে অস্টিন ফিলিপিন্স এবং ভিয়েতনাম সফরেও যান।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ তাদের ওয়েব সাইটে বলেছে সমন্বিত প্রতিরোধের অর্থ হচ্ছে , “ মিত্র এবং সহযোগিদের সঙ্গে সব সামরিক ও অসামরিক উপায় ব্যবহার করা । নতুন দুটি উপায় হিসেবে মহাকাশ এবং সাইবার-স্পেসের কথা বলা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন অস্টিন ভিয়েতনাম ও ফিলিপিন্সকে বেছে নিয়েছেন কারণ উভয় দেশই দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের বিবাদিত সার্বভৌমত্ব নিয়ে গত এক দশক ধরে চীনের সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত রয়েছে। ঐ সাগরের অধিকাংশের মালিকানা যে চীন দাবি করছে যুক্তরাষ্ট্র তার বিরোধীতা করে আসছে কারণ, “আন্তর্জাতিক আইনে তার কোন ভিত্তি নেই”।

এশিয়ার সব চেয়ে শক্তিশালী সেনা অধ্যুষিত চীন হংকং এবং ব্রুনেইর মাঝে সামরিক ব্যবহারের জন্য ৩৫ লক্ষ বর্গ-কিলোমিটার জুড়ে ক্ষুদ্র দ্বীপগুলোকে মাটি ভর্তি করে সংযুক্ত করেছে। চীন মাঝে মাঝে অন্যান্য দাবিদার রাষ্ট্রের নিজস্ব অর্থনৈতিক এলাকায় জাহাজ পাঠিয়ে থাকে ।

ব্রুনেই, মালায়েশিয়া ও তাইওয়ান এই একই জলপথে তাদের মালিকানাও দাবি করে । এই তিনটি দেশই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বন্ধুভাবাপন্ন যদিও তারা অর্থনৈতিক ভাবে চীনের সঙ্গে কাজ করতেও আগ্রহী। এশিয়ার ঐ সাগরের উপর যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কোন দাবি নেই তবে চীনকে এমন একটি ভূ-রাজনৈনিতক প্রতিদ্বন্দ্বি হিসেব মনে করে যে তার প্রতিবেশিদের নাজেহাল করছে। সমুদ্রের উপর চীনের দাবির সবচেয়ে সোচ্চার বিরোধী হচ্ছে ভিয়েতনাম । ভিয়েতনাম যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে সামরিক সাজসরঞ্জাম পেয়েছে।

ভিয়েতনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যখন আস্থা তৈরি হচ্ছে , ওয়াশিংটন সম্ভবত ভিয়েতনামকে আরও “ নৌ সহযোগিতা” দেয়ার প্রস্তাব দিতে পারে বলে হো চি মিন সিটির সমাজ ও মানবিক বিদ্যা বিশ্ববিদ্যালয়ের , সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের পরিচালক নগুয়েন থান ত্রুং মন্তব্য করেছেন।

এ দিকে ফিলিপিন্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সেই ১৯৫১ সাল থেকেই পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি রয়েছে । দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির সামরিক বাহিনীকে , আমেরিকান সামরিক বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

.

XS
SM
MD
LG