অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সিরিয়ায় আল-কায়েদার শীর্ষ কর্মকর্তাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র


সিরিয়ার বিদ্রোহী-নিয়ন্ত্রিত উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর ইদলিবের উত্তর-পূর্ব উপকণ্ঠে ড্রোন হামলায় ধ্বংস হওয়া গাড়ির দৃশ্য।২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১।

আফগানিস্তানে ড্রোন হামলায় সন্ত্রাসীদের পরিবর্তে বেসামরিক লোকদের হত্যার কথা স্বীকার করার মাত্র কয়েক দিন পরে, যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী সিরিয়ায় এক শীর্ষ সন্ত্রাসী কর্মকর্তাকে হত্যা করার লক্ষ্যে হামলা চালিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড সোমবার বলেছে যে তারা ইদলিবের কাছে আল-কায়েদা সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর একজন নেতাকে লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়েছে।

সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্রী লেফটেন্যান্ট জোসি লিন লেনি এক বিবৃতিতে বলেন, "প্রাথমিক তথ্য মোতাবেক আমরা যে ব্যক্তিকে লক্ষ্য করেছিলাম তাকে আঘাত করতে পেরেছি।"

তিনি বলেন, "হামলার ফলে বেসামরিক লোকের হতাহতের কোনো লক্ষণ পাওয়া যায়নি।"

পেন্টাগনের কর্মকর্তারা হামলার খবর নিশ্চিত করেছেন কিন্তু এর চাইতে বেশি ও বিস্তারিত কোন তথ্য দিতে পারেননি।

সোমবার সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে জিহাদিরা বলেছে, এই হামলায় আল-কায়েদার সহযোগী হুররাস আল দীনের দুই কর্মকর্তা নিহত হয়েছে।

সাইট ইন্টেলিজেন্স গ্রুপের মতে, ঐ পোস্টে বলা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় একজন সামরিক কমান্ডার আবু হামজা আল-ইয়েমেনি এবং আবু আল-বারা আল-তিউনিসি নামে একজন দ্বিতীয় কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এটি ছিল চলতি বছরে সিরিয়ায় আল-কায়েদার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নিশ্চিত হামলা। তবে যুক্তরাষ্ট্র চাপ অব্যাহত রেখেছিল।

ওয়াশিংটন ভিত্তিক মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউটের চার্লস লিস্টার ভিওএকে বলেন, “উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় সুনির্দিষ্ট ভাবে আল-কায়েদা কর্মীদের লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের চমকপ্রদ রেকর্ড রয়েছে। বিশেষ করে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি যখন আল-কায়েদার বিশ্ব নেতৃত্বের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় নিহত হয়।

লিস্টার বলেন, হুরাস আল দীন ইতিমধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বী হায়াত তাহরির আল-শামের হামলার শিকার এবং আল-কায়েদা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।তারা এখন অনেক দুর্বল এবং তাদের অনেক নেতাকে আত্মগোপনে পাঠিয়েছে।

XS
SM
MD
LG