অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ঘূর্ণীঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের  ত্রাণের ব্যবস্থায় অগ্রণী  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


শনিবার রাতে বুলবুল যখন সুন্দরবনের ওপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে, তার গতি ছিল এক'শো কিলোমিটারেরও বেশি। ঘন্টা তিনেক ধরে তাণ্ডব চালিয়ে সে বাংলাদেশের দিকে চলে যায়। তার মধ্যে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি হয় মূলত দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কিছুটা উত্তর চব্বিশ পরগনারও।

রাজ্য প্রশাসন আগে থেকেই ওই সব এলাকার বাসিন্দাদের যতদূর সম্ভব নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করলেও ঝড়ের আঘাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়। তার মধ্যে একজন কলকাতার। আজ সকালেও একজনের দেহ উদ্ধার হয়েছে।

দশ বছর আগে এই রকমই ঘূর্ণীঝড় আয়লা সুন্দরবন থেকে কলকাতা পর্যন্ত তছনছ করে দিয়েছিল। সেবার বহু লোকের প্রাণহানি হয়, প্রকৃতি ও সম্পত্তির ক্ষতি হয় অপূরণীয়। আজ সকালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেলিকপ্টারে করে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের অবস্থা দেখে এসে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার কাকদ্বীপে প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি জানান, প্রচুর ক্ষেতের পাকা ধান আর পানের বরজ ঝড় জলে নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অবিলম্বে চাষিদের বীমা থেকে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির লোকদের আরও বেশি এক'শো দিনের কাজ দিতে হবে। এই অবস্থায় কেউ যেন অশান্তির সৃষ্টি করতে না পারে দেখতে হবে।

দীপংকর চক্রবর্তী, ভয়েস অফ আমেরিকা, কলকাতা

XS
SM
MD
LG