অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

"আগামী বছর খেকে একুশে জুলাই 'অঙ্গীকার দিবস' হিসেবে পালিত হবে"-মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


আজ তৃণমূল কংগ্রেসের একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ কে ঘিরে কলকাতার ধর্মতলা অঞ্চল ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। বক্তব্য রাখতে উঠে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমেই বলেন, "জনগণের ভিড় আজ জনবিপ্লব হয়ে গেছে।" ঘোষণা করেন, "আগামী বছর একুশে জুলাইয়ের পঁচিশ বছর পূর্তি। আগামী বছর থেকে একুশে জুলাই 'অঙ্গীকার দিবস' হিসেবে পালিত হবে।" কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের "আঠারো বছর বয়স"-কে উদ্ধৃত করে কোনও 'বাইরের শক্তির কাছে মাথা না নোওয়ানোর' বার্তা দেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাষনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন-------

এদিনের ভাষনে কেন্দ্র ও বিজেপিকে একহাত নিয়ে প্রথম থেকেই আজ চড়া সুরে শুরু করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একুশে জলাইয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, "ভারতে ইমার্জেন্সি চলছে, সাধারণ মানুষের বাঁচার অধিকার খর্ব হচ্ছে।" মন্তব্য করেন, "সারদা, নারদা করে তৃণমূলকে ভয় পাওয়ানো যাবে না।" তোপ দাগেন, "নোটবন্দি, জিএসটি নিয়ে বললেই সিবিআই, ইডি-র ভয় দেখানো হচ্ছে।" বলেন, "গোরক্ষকের নামে গোরাক্ষস তৈরি হয়েছে দেশে।" দুহাজার উনিশএর লোকসভা ভোটে ভারত থেকে 'বড়দা বিদায়'-এর ডাক দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে তোপ দাগেন, "ফেসবুক ফেকবুক হয়ে গেছে।" সোশ্যাল মিডিয়ায় 'নজরদারি' রাখার দায়িত্ব নেওয়ার কথাও বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসংগত বলা যেতে পারে

উন্নিশো তিরানব্বই সালে বাম সরকারের আমলে রাইটার্স অভিযানে পুলিশের গুলিতে তেরোজন তৎকালীন কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যুর প্রতিবাদেই একুশে জুলাই-এর প্রতিবাদে শহীদ স্মরণ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পরবর্তী সময় স্লোগান বদলেছে। লক্ষ্য বদলেছে। রাজনৈতিক কৌশলেও বদল এসেছে বারবার এবং রাজ্যে উন্নিশো আটানব্বই সালে কংগ্রেসের ঘর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মের পর জায়গাও বদলায়। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস আর একুশে জুলাইকে আলাদা করা যায়নি,এবং গত উনিশ বছর ধরে একুশে জুলাইয়ের বার্তাতেও সেই স্পষ্ট বার্তা তৎকালীন তেরোজন কংগ্রেস কর্মীর আত্মত্যাগ তৃনমূল কংগ্রেস কোনো দিনই ভুলবেনা ।

XS
SM
MD
LG