অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আজ বুধবার বিশ্ব শরণার্থী দিবস। বিশ্ব জুড়ে যখন বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, সাথে সাথে বাড়ছে শরণার্থীর সংখ্যাও। দিবসটি বাংলাদেশের জন্য বিশেষভাবে গুরুত্ববহ। কারণ বাংলাদেশে বর্তমানে অবস্থান করছে ১১ লাখ মিয়ানমারের রোহিঙ্গা। যদিও বাংলাদেশ সরকার এখন পর্যন্ত জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক কনভেনশনে অনুস্বাক্ষর করেনি, এ কারণে বাংলাদেশে অবস্থানকারী রোহিঙ্গারা শরণার্থীর মর্যাদা পাচ্ছেন না।


১৯৭৮ সালে প্রথম বাংলাদেশে মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করলেও, পরে কুটনৈতিক তৎপরতার মাধ্যমে তারা নিজ দেশে ফেরত যান। এর পরে ১৯৯১ এর পর থেকে বড় আকারে তিন দফায় মিয়ানমারে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে। গত বছরের আগষ্টের পরে খুবই স্বল্প সময়ে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে ৭ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা আশ্রয়প্রার্থী। এই দফায় রোহিঙ্গা শরণার্থীর ঢলকে ইউএনএইচসিআর গত এক দশকের মধ্যে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শরণার্থীদের ঢল হিসেবে চিহিৃত করেছে।

এদিকে, ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিশেষ নিবন্ধে বলেন, তার ভাষায় ‘এ বছরের বিশ্ব শরণার্থী দিবসে বাংলাদেশ আশা ও উদ্দীপনার এক আলোকবর্তিকা হিসেবে আবির্ভুত হয়েছে।' যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট বলেন, উচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগের মাধ্যমে আমরা বার্মার সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে এ সংকট নিরসনে একটি গঠনমূলক ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো অব্যাহত রেখেছি। এজন্য আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অবিলম্বে উপদ্রুত এলাকায় মানবিক সহায়তা ও মিডিয়ার অবাধ প্রবেশের সুযোগ দান এবং স্বেচ্ছায় নিজেদের আবাসভূমিতে ফিরতে ইচ্ছুক মানুষ যাতে তা নিরাপদে ও মর্যাদার সাথে করতে পারে তার নিশ্চয়তা প্রয়োজন। পাশাপাশি, রাখাইন রাজ্যে সংঘাতের মূল কারণ চিহ্নিত করে তার সমাধান করতে হবে। আমরা একইসঙ্গে বাংলাদেশকে অব্যাহতভাবে এমন আহ্বান জানাতে চাই যে, যেন কক্সবাজারে শরণার্থীদের প্রাণহানি ঠেকাতে যথাসাধ্য চেষ্টা করা হয়। বিশেষ করে বর্ষায় ঝুঁকির মুখে থাকা বা প্রবল বর্ষণের কারণে বাস্তুচ্যুত লোকদের জন্য যেন বাড়তি নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়, বললেন ঢাকাস্থ যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মার্শা বার্নিকাট ।

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা শরণার্থীরা আশ্রয় গ্রহণ করায় এর অর্থনৈতিক ব্যয় এবং ক্ষতির দিক নিয়ে ভয়েস অব আমেরিকার সঙ্গে কথা বলেছেন প্রভাবশালী গবেষণা সংস্থা সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন।

please wait

No media source currently available

0:00 0:03:07 0:00

XS
SM
MD
LG