অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

নয়াপাড়া নিবন্ধিত শরণার্থী শিবিরে পাঁচ শতাধিক বসতি ভস্মীভূত 


নয়াপাড়া নিবন্ধিত শরণার্থী শিবিরে পাঁচ শতাধিক বসতি ভস্মীভূত 

কক্সবাজারের টেকনাফ নয়াপাড়া নিবন্ধিতশরণার্থী শিবিরে ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচ শতাধিক বসতি পুড়ে গেছে।বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ক্যাম্পের ই ব্লকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলেপৌঁছে। ততক্ষণে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। 

কক্সবাজারের টেকনাফ নয়াপাড়া নিবন্ধিতশরণার্থী শিবিরে ভয়াবহ এক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পাঁচ শতাধিক বসতি পুড়ে গেছে।বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ক্যাম্পের ই ব্লকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটলে কিছুক্ষণের মধ্যেই ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলেপৌঁছে। ততক্ষণে আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়


ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের কক্সবাজার জেলার উপসহকারী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ জানান, পাশাপাশিবসতি হওয়ায় আগুন সহজে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। ই- ব্লক পুরোটাই পুড়ে গেছে। আশেপাশেরব্লকগুলোতে যাতে আগুনছড়াতে না পারে সেব্যাপারে অগ্নিনির্বাপনকর্মীরা পদক্ষেপ নেয়ায় আরও বড় ঘটনা থেকে রক্ষা পাওয়া গেছে। তবে এখনওআগুন লাগার কারণ সম্পর্কে জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডে রোহিঙ্গাদের মধ্যে তেমন কেউ বড় ধরণের আহত হওয়ার খবরপাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ সরকারের অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোঃ শামসুদ্দোজা জানিয়েছেন, নয়াপাড়ানিবন্ধিতক্যাম্পের ই-ব্লকের পাঁচ শতাধিক পরিবারের বসতি পুরোটা পুড়ে গেছে। পাশ্ববর্তি ডি-ব্লকের কিছু বসতিও পুড়েছে। তাদেরঅস্থায়ী তাবুতে আশ্রয় দেয়া হচ্ছে। সকালে প্রত্যেককে উচ্চ পুষ্টিসমৃদ্ধ বিস্কুট দেয়া হয়েছে। রান্না করা খাবারের ব্যবস্থা করাহচ্ছে।

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা UNHCR এর এক মুখপাত্রজানান, ১৯৯১ সালের পরে টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পটি স্থাপিত হয়েছিল। সেখানে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা UNHCR নিবন্ধিত প্রায় ২০ হাজার রোহিঙ্গা বসবাস করেন। এরমধ্যে ই ব্লকে প্রায় ২৫০০ জন নিবন্ধিত রোহিঙ্গা বসবাস করতো। সরকারের সাথে সমন্বয় করে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্থ রোহিঙ্গাদেরসহায়তা করা হচ্ছে।

XS
SM
MD
LG